|
ভারতীয়
উন্নয়ন-কর্মী বিন্দেশ্বর পাঠক সুইডেনে উচ্চ-সম্মানে পুরষ্কৃত
২০০৯
সালের 'স্টকহোম
ওয়াটার প্রাইজ'
পেলেন ভারতের
মানবধিকার কর্মী এবং সংগঠক ডঃ বিন্দেশ্বর পাঠক।
ষ্টকহৌম
ইন্টারন্যাশন্যাল
ওয়াটার ইনষ্টিটিউট প্রতি বছর এ-পুরষ্কার
দিয়ে থাকে।
ভারতের বস্তি
ও ঘন-বসতি এলাকায় লাখ- লাখ
মানুষের
দৈনন্দিন জীবনকে
জীবানুমুক্ত রাখায়
অক্লান্ত প্রচেষ্টার জন্য তাকে এ-পুরস্কারে
ভূষিত করা হয়।
অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে
জীবাণু-মুক্ত
জীবনের আন্দোলনের পাশাপাশি মানবধিকার বিষয়ক
কর্মকাণ্ডের
সাথেও দীর্ঘদিন ধরে জড়িত আছেন পাঠক।
উল্লেখ্য, আজ থেকে
৪০ বছর আগে পরিবেশ
বান্ধব 'সুলভ
শৌচালয়'
আন্দোলন শুরু করেছিলেন
বিন্দেশ্বর পাঠক ।
তিনি শুরু থেকে ভারতের
বস্তি এবং ঘনবসতি
এলাকার পয়ঃনিষ্কাশন
ব্যবস্থার উন্নতি-সহ জীবানু-মুক্ত
স্বাস্থ্যকর জীবন-প্রণালীর
প্রসার ঘটানোর কাজে
কাজ করছেন।
বর্তমানে সারা বিশ্বের
বিভিন্ন স্থানেই এটি এক
সমাদৃত ও পরিচিত আন্দোলন।
দীর্ঘ সময়ের
পরিক্রমাতে
পাঠক
তার প্রচেষ্টাকে শহরের
বস্তি এলাকা থেকে ভারতের গ্রাম পর্যায় পর্যন্ত ছড়িয়ে দেয়ার ক্ষেত্রে
ব্যাপক সফলতা
লাভ করেছেন।
পুরস্কার-প্রদানের
ন্যায্যতাকে
তুলে ধরতে গিয়ে সুইডেনের মনোনয়ন কমিটি বলেন, 'একজন
স্বতন্ত্র মানুষের ব্যক্তিগত
প্রচেষ্টা
কীভাবে লাখ-লাখ মানুষের
দৈনন্দিন জীবনে ভালো থাকার নিশ্চয়তা এনে দিতে
পারে, ডঃ পাঠকের একনিষ্ঠ কাজগুলোই হচ্ছে তার জলন্ত
উদাহারণ।
জানা গেছে,
আগামী আগষ্ট
মাসে
‘বিশ্ব
জল উৎসবে’
স্টকহৌম
ইন্টারন্যাশনাল ওয়াটার
ইন্সস্টিটিউট ডঃ বিন্দেশ্বর
পাঠকের হাতে একটি
স্ফটিক-ভার্স্কয্য ও
দেড় লাখ মার্কিন
ডলারের চেক-সহ
পুরস্কারটি তুলে দিবে।
উল্লেখ্য,
স্টকহৌম ওয়াটার প্রাইজকে আন্তর্জাতিক
পরিমন্ডলে জল-বিষয়ক
নোবেল পুরস্কারের সাথে তুলনা করা হয়ে থাকে।
ষ্টকহৌম
ইন্টারন্যাশনাল ওয়াটার
ইনষ্টিটিউট ১৯৯১ সালে এই পুরষ্কার চালু করেন
।
চিত্রা পাল, সুইডেন
থেকে
২৬
মার্চ ২০০৯
|