London:

Home

Archive

Contact

About us

সম্পাদকীয়

কলাম

সাক্ষাতকার

সাময়িকী

ঘুরে দেখি লন্ডন

পাঠকের কলম

কী-কখন-কোথায়

পত্র-পত্রিকা

 রেডিও

টেলিভিশন

ফটো-গ্যালারী

মুম্বাই-হামলা মামলার শুনানী শুরুঃ আসামী কাসাব আইনী সাহায্য চান

গত বছরের নভেম্বরে মুম্বাই-হামলার একমাত্র জীবিত ও গ্রেফতারিত হামলাকারী মোহাম্মদ আইমাল কাসাবের মামলার শুনানী শুরু হয়েছে সোমবার। ভারতীয় আদালতের কাছে তার পাকিস্তানী নাগরিকত্ব স্বীকার করে আইনী সহায়তার জন্য আবেদন করেছেন। মামলার শীর্ষ তদন্তকারী রাকেশ মারিয়ার উদ্ধৃতি দিয়ে এ-তথ্য জানিয়েছে সংবাদ সংস্থা রয়টার্স।

প্রকাশিত সংবাদে বলা হয়, কাসাবকে ভারতের বিরুদ্ধে 'যুদ্ধ চালনা'র অভিযোগে অভিযুক্ত করা হয়েছে। উল্লেখ্য, ভারতের বাণিজ্য-রাজধানী বলে খ্যাত মুম্বাইয়ে নভেম্বরে আক্রমণকারীরা তিন দিন ধরে তাণ্ডবে ১৭০ জনেরও বেশি লোককে হত্যা করে।

শীর্ষ তদন্তকারী কর্মকর্তা রাকেশ মারিয়া বলেন, 'সে [কাসাব] পাকিস্তান থেকে এসেছে বলে স্বীকার করেছে এবং আইনী সাহায্যের জন্য আদালতের কাছে আবেদন জানিয়েছে।'

এদিকে ফ্রান্স-ভিত্তিক আন্তর্জাতিক পুলিস সংস্থা ইন্টারপল জানিয়েছে, মুম্বাই-হামলার তদন্তে সহযোগিতার জন্য পাকিস্তান সন্দেহায়িত আতঙ্কবাদীদের জীববৈজ্ঞানিক তথ্য ডিএনএ প্রফাইল হস্তান্তর করেছে।  ইন্টারপলের মতে, পাকিস্তানের দেয় তথ্যের ফলে নভেম্বরের মুম্বাই আক্রমণের 'পূর্ণ আন্তর্জাতিক মাত্রা' অনুধাবন করা সম্ভব হবে।

মুম্বাইয়ের বিভিন্ন স্থানে সুসংবদ্ধ আক্রমণ পরিচালনার জন্য ভারত লস্কর-ই-তৈয়বাকে দায়ী করেছে। লস্কর-ই-তৈয়বা হচ্ছে পাকিস্তান-ভিত্তিক নিষিদ্ধ ঘোষিত ইসলামী জঙ্গী সংগঠন। বিচারাধীন আক্রমণকারী কাসাব স্বীকার করেছে, মুম্বাই আক্রমণের পরিকল্পনা পাকিস্তানে বসেই করা হয়েছে।

এদিকে পাকিস্তানী পুলিস মুম্বাই আক্রমণের সংযোগে বেশ কয়েক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে এবং লস্কর-ই-তৈয়বার সাথে সম্পর্কিত হবার কারণে অপর একটি সংগঠনকে নিষিদ্ধ করেছে।

উল্লেখ্য, ভারতের পক্ষ থেকে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ থাকা সত্ত্বেও মুম্বাই আক্রমণের সাথে কোনো পাকিস্তানীর জড়িত থাকার বিষয়টি পাকিস্তান শুরুতে অস্বীকার করেছিলো। সে-সময় পাকিস্তানী সংবাদ-মাধ্যমগুলো মুম্বাই আক্রমণকে পাকিস্তানকে হেয় প্রতিপন্ন করার লক্ষ্যে রচিত ভারতীয় ষড়যন্ত্র বলে ব্যাপক প্রচার চালিয়েছিলো। বিশ্লেষকদের-মতে, পাকিস্তান এক্ষণে সহযোগিতা করলেও মুম্বাই আক্রমণের ঘটনাটি পারমাণবিক অস্ত্রধারী ও চির প্রতিদ্বন্দ্বী দুই প্রতিবেশীর মধ্যকার সম্পর্ককে যথেষ্ঠ ক্ষতিগ্রস্ত করেছে।

লন্ডনঃ ২৩ মার্চ ২০০৯

 

আজকের প্রধান খবর8

জুলাই আর্কাইভ 8

আর্কাইভ8

 

 

© 2007 Confidence Services Ltd.