London:

Home

Archive

Contact

About us

সম্পাদকীয়

কলাম

সাক্ষাতকার

সাময়িকী

ঘুরে দেখি লন্ডন

পাঠকের কলম

কী-কখন-কোথায়

পত্র-পত্রিকা

 রেডিও

টেলিভিশন

ফটো-গ্যালারী

ঈশ্বরের অস্তিত্ব-বিরোধী বাস-প্রচারাভিযানের প্রস্তুতি চলছে জার্মানীতে

ব্রিটেইন ও স্পেইনের পরে এখন ঈশ্বরের অস্তিত্ব-বিরোধী বাস-প্রচারাভিযান শুরুর প্রস্তুতি চলছে জার্মানীতে। প্রস্তুতি অব্যাহত থাকলে চলতি বছরের শেষ নাগাদ বার্লিন, মিউনিখ বা কলৌনের রাস্তায় ঈশ্বরের অস্তিত্ব-বিরোধী স্লৌগান সম্বলিত বাস চলতে দেখা যেতে পারে বলে জানা গেছে। উদ্যোক্তারা জানিয়েছেন, তারা এখন প্রয়োজনীয় তহবিল উত্তোলনের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।

জানা যাচ্ছে, জার্মানীর উদ্যোক্তারা বর্তমানে কমপক্ষে সাতটি বাসের গায়ে ঈশ্বরের অস্তিত্ব-বিরোধী বক্তব্য-যুক্ত বিজ্ঞাপন প্রচারের জন্য প্রয়োজনীয় খরচ উত্তোলনের চেষ্টা করছেন। তহবিল গঠনের লক্ষ্যে তৈরী করা ওয়েবসাইটটিতে বেশ কতগুলো স্লৌগান দেয়া আছে। ওয়েবসাইটটি পরিদর্শনকারীরা এক বা একের অধিক ইউরো অনুদান দেয়ার মাধ্যমে তাদের পছন্দের স্লৌগানটির কথা উদ্যোক্তাদের জানিয়ে রাখতে পারবেন। অন্যতম উদ্যোক্তা ফিলিপ মোলার বৃহস্পতিবার দার স্পাইগেল পত্রিকাকে জানিয়েছেন, তহবিল যোগানের আবেদন জানানোর চার দিনের মধ্যেই সাড়ে তিন হাজার ইউরৌ সংগ্রহ করা হয়েছে। মোলার জানিয়েছেন, বাসের গায়ে বিজ্ঞাপন লাগানোর জন্য তাদের প্রয়োজন আরও ১৬ হাজার ইউরৌ।

ছয় উদ্যোক্তার অন্যতম মোলার জানান, তারা কোনো ধরণের মিশনারীর ভূমিকাতে অবতীর্ণ হননি। তিনি বলেন, 'আমরা শুধু মানুষ-জনকে অবহিত করতে চাই যে, একটি আলোকায়িত সমাজে কোনো ধরণের শাস্তি-গ্রহ করা ছাড়াই আপনি এমন একটি [ঈশ্বরের অস্তিত্বহীনতা] বার্তা প্রচার করতে পারেন' উল্লেখ্য, জার্মানীতে বিপুল সংখ্যক মানুষ কোনো ধর্মের সাথে সংশ্লিষ্টতা রাখেন না এবং ঈশ্বরের বিশ্বাস করেন না। ২০০৫ সালে পরিচালিত এক জরীপে ২২ শতাংশ জার্মান নিজেদের ঈশ্বর-বিশ্বাসী হিসাবে পরিচয় দিয়েছিলেন। আর ২৩ শতাংশ জার্মান নিজেদের নাস্তিক বা অজ্ঞেয়বাদী হিসাবে চিহ্নিত করেছিলেন। মোলার এ-প্রসঙ্গে বলেন, এবার আমরা এ-লোকগুলোকে কথা বলার সুযোগ করে দিতে চাই।

উল্লেখ্য, এ-বছরের শুরুর দিকে ব্রিটেইনে সর্ব-প্রথম ঈশ্বরের অস্তিত্ব-বিরোধী স্লৌগান-যুক্ত বাস-ক্যাম্পেইন শুরু হয়। গত বছর গার্ডিয়ান পত্রিকাতে একটি ব্লগের মাধ্যমে এ-ক্যাম্পেইনের সূচনা করেন সাংবাদিক এ্যারিন শেরিন। লন্ডনের একটি লাল বাসের গায়ে বাইবেলের একটি উদ্ধৃতি ও একটি দেখে ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠার পরে ঈশ্বরের অস্তিত্ব-বিরোধী ক্যাম্পেইনের সূচনা করেন শেরিন। উল্লেখ্য, ওয়েবসাইটিতে বলা হয়, 'যারা খৃস্টান নয়, তারা অনন্তকাল ধরে নরকের আগুনে পুড়তে থাকবে।' শেরিনের আবেদনে সাড়া দিয়ে রিচার্ড ডকিন্সের মতো প্রথিতযশা ঈশ্বর-অবিশ্বাসীরা এগিয়ে আসেন। প্রয়োজনের তুলনায় অনেক বেশি অর্থ জমা হবার পরে দুশোরতো বাসের গায়ে ঈশ্বরের অস্বিত্ব-বিরোধী বক্তব্য সম্বলিত বিজ্ঞাপন শোভা পেতে থাকে। বিজ্ঞাপনটিতে লেখা হয়ঃ সম্ভবত ঈশ্বর নেই, এখন দুশ্চিন্তা করা বন্ধ করুন এবং জীবনকে উপভোগ করুন।

মধ্য-ফেব্রুয়ারী থেকে স্পেইনের মাদ্রিদ, বার্সিলোনা ও মালাগা এবং ক্যানাডার টরেন্টৌ ও ক্যালঘারির মতো শহরগুলোতে ঈশ্বরের অস্তিত্ব-বিরোধী বক্তব্য-যুক্ত বাস চালু হয়েছে। ইতালী অস্ট্রেলিয়াতেও ঈশ্বরের অস্তিত্ব-বিরোধী বাস-ক্যাম্পেইন চালু করার প্রস্তুতি চলছে।

লন্ডনঃ ১২ মার্চ ২০০৯

 

আজকের প্রধান খবর8

জুলাই আর্কাইভ 8

আর্কাইভ8

 
 

© 2007 Confidence Services Ltd.