London:

Home

Archive

Contact

About us

সম্পাদকীয়

কলাম

সাক্ষাতকার

সাময়িকী

ঘুরে দেখি লন্ডন

পাঠকের কলম

কী-কখন-কোথায়

পত্র-পত্রিকা

 রেডিও

টেলিভিশন

ফটো-গ্যালারী

সাদ্দামের ঘনিষ্ঠ সহযোগীদের জেল-ফাঁসীর আদেশ ইরাকী আদালতে

বুধবার ইরাকের আদালতে সাদ্দাম হোসেনের কয়েকজন ঘনিষ্ঠ সহযোগীকে হত্যাকাণ্ড-সহ নানান ধরণের মারাত্মক অপরাধের দায়ে জেলদন্ড ও ফাঁসীর মত সর্বোচ্চ-মাত্রার সাজা দেয়া হয়েছে। সাজাপ্রাপ্তদের মধ্যে আছেন সাবেক উপ-প্রধানমন্ত্রী তারিক আজিজ ও 'কেমিক্যাল আলি' নামে পরিচিত সাদ্দামের জ্ঞাতিভাই আলি হাসান আল-মাজিদ। সাজাপ্রাপ্ত অপর দু-ব্যক্তি হচ্ছেন সাদ্দামের সৎ ভাই ইব্রাহিম আল হাসান ও সাবাইয়ি ইব্রাহিম।

খবরে প্রকাশ, ১৯৯২ সালে বাগদাদে ৪২ জন ব্যবসায়ীর প্রাণহানির দায়ে তারিক আজিজকে দোষী সাব্যস্ত করে ১৫ বছরের কারাদণ্ড প্রদান করেছে ইরাকী হাই ট্রাইবুন্যাল। জাতিসংঘের অবরোধের মধ্যে থাকা অবস্থায় সরকার নির্ধারিত দ্মূল্য অমান্য করে দাম বাড়ানোর অভিযোগে সাদ্দামের রেভ্যুলিউশনারী কমান্ড কাউন্সিল কর্তৃক দোষী সাব্যস্ত হয়েছিলেন এ-সব ব্যবসায়ী। আজিজ অবশ্য বাগদাদের ব্যবসায়ীদের নিধন-যজ্ঞে কোনো ধরণের ভূমিকা রাখার কথা অস্বীকার করেছেন। সমর্থকদের দাবী, সাদ্দামের ইচ্ছা-পূরণের জন্য ব্যবসায়ীদের মৃত্যু-দণ্ডাদেশে স্বাক্ষর করা ছাড়া আজিজের কোনো বিকল্প ছিলো না। উল্লেখ্য, আজিজ এ-প্রথমবারের মতো তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগগুলোর কোনো একটিতে সাজা পেলেন। ১৯৯৯ সালের শিয়া হত্যাকাণ্ড ও গণ-উচ্ছেদের দায়ে অভিযুক্ত হবার হাত থেকে রেহাই পাবার দু-সপ্তাহের মাথায় দেড়-দশকের কারাদণ্ডটি পেলেন সাদ্দাম হোসেনের অন্যতম ঘনিষ্ঠ এ-সহযোগী। তবে আজিজকে প্রকৃত-পক্ষে কতোদিন জেলে কাটাতে হবে, তা স্পষ্ট নয়। সাদ্দামকে ক্ষমতা থেকে হঠানোর পরে মার্কিনীরা যে-আটজন ইরাকীকে পাকড়াও করার তালিকা প্রস্তুত করেছিলো, তার মধ্যে তারিক আজিজের নামও ছিলো।

আদালতের রায়ের বিরোধিতা করে আজিজের আইনজীবী বাদাই আরিফ জানান, পুরো বিচার-প্রক্রিয়াকে রাজনৈতিকীকরণ করা হয়েছে। প্রদত্ত রায়ের বিরুদ্ধে আপীল করার সিদ্ধান্তের কথাও সংবাদ-মাধ্যমকে জানিয়েছেন আরিফ।

এদিকে, ১৯৮০ এর দশকে বিষাক্ত গ্যাস ছড়িয়ে কুর্দী গ্রামগুলোতে গণহত্যা চালানোর দায়ে বুধবার দেড়-দশকের কারাদন্ডে দণ্ডিত হয়েছেন সাদ্দাম হোসেনের জ্ঞাতিভাই আলি হাসান আল-মাজিদ। কেমিক্যাল আলি নামে পরিচিত আল-মাজিদ অবশ্য ইতিমধ্যে ১৯৮০ ও ১৯৯০ এর দশকে কুর্দী ও শিয়াদের বিরুদ্ধে গণহত্যা পরিচালনায় যুক্ত থাকার দায়ে তিনবার মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত হয়েছেন। এছাড়াও সাদ্দামের দু-সৎভাই ইব্রাহীম আল-হাসান ও সাবাইয়ি ইব্রাহিমকে মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ সংঘটনের দায়ে মৃত্যুদণ্ড দেয়া হয়েছে। এদের দু-জনকেও ১৯৯২ সালে বাগদাদে ৪২-ব্যবসায়ী হত্যায় যুক্ত থাকার দায়ে দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে।

লন্ডনঃ ১১ মার্চ ২০০৯

 

আজকের প্রধান খবর8

জুলাই আর্কাইভ 8

আর্কাইভ8

 
 

© 2007 Confidence Services Ltd.