|
মুম্বাই কাণ্ডের
গ্রেফতার কাসবের বিরুদ্ধে পুলিসের অভিযোগ দায়ের
ভারতীয়
পুলিস মুম্বাই হত্যা-কাণ্ডের ঘটনায় গ্রেফতার হওয়া আইমাল কাসবের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক
ভাবে অভিযোগ দায়ের করেছে। ২০০৮ সালের নভেম্বরে সংঘটিত ঘটনার মুম্বাই আক্রমণকারীদের
মধ্য থেকে শুধুমাত্র কাসবই বেঁচে আছেন। পুলিস তার বিরুদ্ধে হত্যা ও যুদ্ধে লিপ্ত
হওয়া-সহ সর্বমোট ১২টি অভিযোগ দায়ের করেছে। উল্লেখ্য, কাসবের বিরুদ্ধে আনীত প্রধান
দু’টি অভিযোগের সর্বোচ্চ শাস্তি
হিসাবে মৃত্যুদণ্ডের বিধান রয়েছে।
খবরে প্রকাশ,
পাকিস্তানী নাগরিক কাসবের স্বীকারোক্তি-সহ প্রায় সহস্রাধিক পৃষ্ঠার একটি দলিলে তার
বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগসমূহ লিপিবদ্ধ করা হয়েছে। মুম্বাই পুলিসের প্রধান তদন্তকারী
কর্মকর্তা রাকেশ মারিয়া সংবাদ মাধ্যমকে বৃহস্পতিবার এ-কথা জানিয়েছেন। তিনি আরও
জানান যে, উল্লেখিত দলিলে ১৫০ ব্যক্তির সাক্ষ্য যুক্ত করা হয়েছে। ভারতীয় আইন অনুযায়ী
পুলিসকে আনুষ্ঠানিকভাবে গ্রেফতার হওয়া ব্যক্তির বিরুদ্ধে আটক হওয়ার ৯০ দিনের মধ্যে
অভিযোগ দায়ের করতে হয়।
এদিকে দু’টি
প্রচার মাধ্যমের রিপৌর্টে জানা গেছে, কাসব ছাড়া আরও ১৯ ব্যক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা
হয়েছে। এদের মধ্যে ভারত ও পাকিস্তান, উভয় দেশের নাগরিক রয়েছেন। তদন্ত কর্মকর্তা
মারিয়া জানান, ছত্রপতি শিবাজী ট্রেইন স্টেশনের ক্লৌস সার্কিট ক্যামেরায় ধারণকৃত
ভিডিও ফুটেইজে কাসব ও অন্য এক ব্যক্তিকে গুলি চালাতে দেখা গেছে। উল্লেখ্য, মুম্বাই
অক্রমণকারীদের মধ্য থেকে ৯ জন-সহ প্রায় ১৬৫ ব্যক্তি নিহত হয়েছিলেন।
মুম্বাইয়ের বিভিন্ন
স্থানে হামলা চালানোর এ-ঘটনার জন্য ইসলামী সংগঠন লস্কর-ই-তৈয়েবাকে দায়ী করেছে ভারত।
মুম্বাই আক্রমণে যে ১০ ব্যক্তি অংশ নিয়েছিলেন তাদের সকলকেই পাকিস্তানী নাগরিক হিসেবে
চিহ্নিত করাছে ভারত। প্রাথমিক ভাবে ভারতের এ-অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেলেও পরবর্তীতে
এ-সত্য মেনে নিয়েছে যে আক্রমণকারীরা পাকিস্তানের নাগরিক। পাকিস্তান জানিয়েছে,
আক্রমণকারীরা পাকিস্তানে বসেই আক্রমণের পরিকল্পনা তৈরী করেছিলো।
লন্ডনঃ ২৭
ফেব্রুয়ারী, ২০০৯ |