|
ইকুয়েডরে মার্কিন কূটনীতিক বহিষ্কৃতঃ
সময়-সীমা
আটচল্লিশ ঘন্টা
অভ্যন্তরীণ
ইস্যুত হস্তক্ষেপের দায়ে একজন
মার্কিন কূটনীতিককে
বহিষ্কার করেছে
ইকুয়েডর।
দেশটির
বিদেশ-মন্ত্রী জানিয়েছেন, বহিষ্কারের
আদেশ-প্রাপ্ত কূটনীতিকটিকে
আটচল্লিশ ঘন্টার
মধ্যে বিদায়
নিয়ে
চলে
যেতে হবে।
খবর বুধবারের।
এ-ঘোষণার
মধ্য
দিয়ে
উভয়
দেশের
সম্পর্কের
আরেক
দফা
অবনতির
আশঙ্কা
করছেন
পর্যবেক্ষরা।
লাতিন
আমেরিকার
দেশ
ইকুয়েডরের
জানিয়েছে,
মার্কিন দূতাবাসের ফার্স্ট সেক্রেট্যারী মার্ক সুলিভান
দুরভিসন্ধিমূলকভাবে কয়েকজন
পুলিস অফিসারকে বাগে
আনার
চেষ্টা করছিলেন।
বিদেশ মন্ত্রী ফান্দের
ফ্যালকনী আনুষ্ঠানিকভাবে
সুলিভানের
বিরুদ্ধে অভিযোগটি সংবাদ-মাধ্যমের সামনে
হাজির
করেছেন।
উল্লেখ্য,
চলতি
মাসের
আট
তারিখেও
মার্কিন দূতাবাসের
একজনকে
কর্মীকে
বহিষ্কার করেছিলো
ইকুয়েডর।
উক্ত কর্মীটির
বিরুদ্ধেও
স্থানীয়
পুলিসের
একটি
প্রকল্পে অবাঞ্ছিত
হস্তক্ষেপের অভিযোগ
এসেছিলো।
পর্যবেক্ষকদের
মতে, ইকুয়েডর
থেকে
নতুন
করে
মার্কিন কূটনীতিক
বহিষ্কারের মধ্য
দিয়ে
দুই
দেশের
মধ্যে
বিরাজমান
নিম্ন মাত্রার সম্পর্কের
আরেক
দফা
অবনতি
ঘটবে।
উল্লেখ্য,
ইকুয়েডর
কিছু
দিন
আগে
জানিয়েছে,
চলতি
বছরের
শেষ
নাগাদ
চুক্তির মেয়াদ
শেষ
হয়ে
গেলে
দেশের
উপকূলীয়
এলাকাতে
অবস্থিত
মার্কিন
বিমান
ঘাঁটিটির
ইজারা
নবায়ন
করা
হবে না।
প্রেসিডেন্ট রাফায়েল
কোরেরা
এ-ঘোষণা
দেয়ার
পর
থেকেই
যুক্তরাষ্ট্রের চাপের
মধ্যে
আছে
ইকুয়েডর।
কোনো-কোনো পর্যবেক্ষকের ধারণা,
আগামী
এপ্রিলে
মাসে
অনুষ্ঠিতব্য
নির্বাচনকে
ঘিরে
কোরেরাকে
সমস্যায়
ফেলার
চেষ্টা করা
হতে
পারে।
জনমত
জরীপগুলোতে
অবশ্য
৭০
শতাংশ
জনপ্রিয়তা
নিয়ে বাকী
প্রার্থীদের
ধরা-ছোঁয়ার
বাইরে
অবস্থান করছেন
লাতিন
আমেরিকাতে
মার্কিন তৎপরতা
বিরোধী এ-নেতা।
লন্ডনঃ ১৯
ফেব্রুয়ারী ২০০৯ |