London:

Home

Archive

Contact

About us

সম্পাদকীয়

কলাম

সাক্ষাতকার

সাময়িকী

ঘুর দেখি লন্ডন

পাঠকের কলম

কী-কখন-কোথায়

পত্র-পত্রিকা

 রেডিও

টেলিভিশন

ফটো-গ্যালারী

সোয়াতে পুনরায় শরীয়া আইন চালু করার ঘোষণা দিয়েছে পাকিস্তান

গোলযোগপূর্ণ উত্তর-পশ্চিম সীমান্ত প্রদেশের সোয়াত উপত্যকাতে শরীয়া আইন পুনরায় চালু করার ঘোষণা দিয়েছে পাকিস্তান। তালেবানপন্থীদের পক্ষ থেকে এ-ব্যাপারে দীর্ঘদিন ধরে পাক-সরকারের উপরে চাপ দেয়া হচ্ছিলো।

খবরে প্রকাশ, সোমবার পেশোয়ার শহরে শরীয়াপন্থী তেহরিক-ই-নাফিক শরিয়ত মুহাম্মদ এর লোকজনের সাথে উত্তর-পশ্চিম সীমান্ত প্রদেশের সরকারী কর্মকর্তাদের মধ্যেকার বৈঠকে নতুন করে শরীয়া জারীর সিদ্ধান্তটি গৃহীত হয়। এ-ব্যাপারে সংবাদ-মাধ্যমের সাথে আলাপকালে সীমান্ত প্রদেশ সরকারের একজন মুখপাত্র জানান, পাক-প্রেসিডেন্ট আসিফ আলী জারদারী ইতিমধ্যে সোয়াতের পুনরায় শরীয়া চালুর পক্ষে নীতিগত সম্মতি প্রদান করেছেন। মুখপাত্রটি সোয়াতে শরীয়া জারী প্রসংগে বলেন, 'বিচার-ব্যবস্থা সংক্রান্ত সকল অনৈসলামিক আইন, যেগুলো কোরান ও সুন্নাহের পরিপন্থী, অকার্যকর ও বাতিল বলে গন্য করা হবে।' তবে এ-ব্যাপারে এখনই বিস্তারি তথ্যাদি জানানোর ব্যাপারে আপত্তি জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

তেহরিক-ই-নাফিকের পক্ষ থেকে অনেক দিন থেকেই সোয়াতে শরীয়া চালুর জন্য ইসলামাবাদের পক্ষ থেকে চাপ দেয়া হচ্ছিলো। তবে বিশ্লেষকরা জানিয়েছেন, সোয়াতে শরীয়া চালুর ঘটনা এবারই প্রথম নয়। ১৯৯০ এর দশকেও তেহরিকের সহিংস দাবীর মুখে সোয়াতে শরীয়া চালু হয়েছিলো। উল্লেখ্য, সোয়াত ও সংলগ্ন এলাকাগুলোতে তালেবানসহ অন্যান্য ধর্মীয় উগ্রপন্থীদের প্রভাব অত্যন্ত বেশী। তেহরিকের মতো সংগঠনগুলোর দাবী, শরীয়া চালু হলে বিচার-ব্যবস্থার ক্ষেত্রে গতিশীলতা তৈরী করা সম্ভব হবে। সরকার-পক্ষ অবশ্য জানিয়েছে, শরীয়া চালু হলেও বিচার বিভাগ পরিচালনা ও বিচারক নিয়োগের ক্ষমতা সরকারের হাতেই থাকবে।

বিশ্লেষকদের অনেকের মতে, সোয়াতের ব্যাপারে সোমবারের সিদ্ধান্তটির মধ্য দিয়ে সামনের দিনগুলোর জন্য নতুন করে সমস্যার বীজ বপন করেছে সরকার। সাউথ এশিতা সেন্টারের সুজা নেওয়াজ জানান, ১৯৯৪ সালের বেনজির ভূট্টোর আমলের মতো এবারও তালেবানীরা সোয়াতে নিজেদের মতো করে শরীয়াকে চালু করে দেয়ার সুযোগ পেয়ে যাবে। এছাড়াও ইসলামবাদের পক্ষ থেকে শরীয়া চালুর ঘোষণাটিকে ওয়াশিংটনের পক্ষ থেকেও সুনজরে দেখা হবে না বলেই মনে করা হচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্র ইতিপূর্বে জানিয়েছে, এ-ধরণের পদক্ষেপের ফলে আল কায়দা ও তালেবান যোদ্ধারা লাভবান হয়। উল্লেখ্য, আফগানিস্তানের সীমান্ত সংলগ্ন উত্তর-পশ্চিম সীমান্ত প্রদেশে আল কায়দা ও তালেবানের অবস্থান অত্যন্ত শক্ত। 

লন্ডনঃ ফেব্রুয়ারী, ২০০৯

 

আজকের প্রধান খবর8

জুলাই আর্কাইভ 8

আর্কাইভ8

 
 

© 2007 Confidence Services Ltd.