|
সামরিক অভিযানে
১
বছরে ব্রিটেইনের ব্যয়
সাড়ে ৪
বিলিয়নের বেশি
আফগানিস্তান ও
ইরাকে সামরিক অভিযান অব্যাহত
রাখার
পিছনে
চলতি অর্থ-বছরে ব্রিটেইনের ব্যয় হয়েছে সাড়ে চার বিলিয়ন পাউন্ডের অধিক। এর মধ্যে
দক্ষিণ আফগানিস্তানে অভিযান চালানোর পিছনেই খরচ হয়েছে মোট ব্যয়ের অর্ধেকের অধিক।
মিনিস্ট্রী অফ ডিফেন্সের পক্ষ থেকে হিসাবটি প্রচার করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার
ডিফেন্স মিনিস্ট্রী জানিয়েছে,
চলতি অর্থ বছরে দক্ষিণ আফগানিস্তানে সামরিক অভিযানের
পিছনে খরচ হয়েছে ২ দশমিক ৬
বিলিয়ন পাউন্ড। পূর্ববর্তী অর্থ-বছরে এ-ক্ষেত্রে খরচ হয়েছে দেড় বিলিয়ন পাউন্ড।
ব্রিটিশ সেনাদের জন্য আর্মার্ড ভেহিকল
কিনার পিছনে এবার বেশি অর্থ খরচ হয়েছে
বলে জানানো হয়েছে। তালেবানের পক্ষ থেকে ব্রিটিশ সেনাদের উপরে রৌড-সাইড বোমা হামলা
বেড়ে যাবার কারণে উন্নতমানের আর্মার্ড ভেহিকল
কিনার প্রয়োজনীয়তা দেখা দিয়েছে।
সরকারী হিসাব
থেকে আরেকটি লক্ষ্য
করার মতো তথ্য প্রকাশ পেয়েছে। দেখা যাচ্ছে, দক্ষিণ ইরাকের বসরা থেকে সরে
আসার প্রস্তুতি নেয়া হলেও এ-অঞ্চলটির পিছনে ব্রিটিশদের ব্যয় বেড়ে গেছে চলতি
অর্থ-বছরে। গত বছর বসরার পিছনে খরচ হয়েছিলো দেড় বিলিয়ন পাউন্ড। কিন্তু এবার এ-খরচটি
২ বিলিয়ন পাউন্ডে ঠেকেছে।
সব মিলিয়ে দেখা
যাচ্ছে, চলতি অর্থ-বছরে ইরাক ও আফগানিস্তানে সামরিক অভিযানের
পিছনে
ব্রিটেইনের খরচ হয়েছে চার বিলিয়ন পাউন্ডের অধিক।
এ-বৃদ্ধি আগের বছরের তুলনায় ৫০
শতাংশেরও বেশি।
২০০১
সালে ইরাক ও আফগানিস্তানে সামরিক অভিযান শুরুর পর থেকে এখন পর্যন্ত ব্রিটেইনের খরচ
হয়ে গেছে প্রায় ১৪ বিলিয়ন পাউন্ড। এ-অর্থ প্রথাগত প্রতিরক্ষা খাতের বাজেট থেকে নয়
বরং এসেছে ট্রেজারীর কন্টিনজেন্সী রিজার্ভ থেকে। পর্যবেক্ষকদের ধারণা, সামনের
দিনগুলোতে আফগানিস্তানে সামরিক অভিযান পরিচালনার পিছনে ব্রিটেইনের ব্যয় আরও বেড়ে
যাবার সমূহ-সম্ভাবনা আছে। উল্লেখ্য, যুক্তরাষ্ট্র চায় আফগানিস্তানে নতুন করে সেনা
প্রেরণ করুক ব্রিটেইন। বর্তমানে দেশটির হেলমন্দ প্রদেশে তালেবানদের বিরুদ্ধে লড়াই
করছে আট হাজার ব্রিটিশ সেনা।
লন্ডনঃ
১৪ ফেব্রুয়ারী,
২০০৯
|