|
বাংলাদেশে
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের
ধর্মীয় পক্ষপাতঃ ছাত্রফ্রন্টের
দাবী
জাতীয়
বিশ্ববিদ্যালয়ের অনার্স ভর্তি পরীক্ষায় মানবিক বিভাগের প্রশ্নপত্রের সাধারণ জ্ঞান
অংশে ইসলাম ধর্ম সম্বন্ধীয় প্রশ্ন সংযোজনের মাধ্যমে অমুসলিমদেরকে অসুবিধাগ্রস্ত
করার প্রতিবাদে সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট ১ ফেব্রুয়ারী মুক্তাঙ্গণে বিক্ষোভ মিছিল
ও সমাবেশের আয়োজন করে। সমাবেশ থেকে ধর্মীয় ১৩টি প্রশ্ন বাদ দিয়ে বাকী ৮৭ টি
প্রশ্নের মূল্যায়নের ভিত্তিতে মেধা যাচাইয়ের দাবী জানানো হয়।
গত ৩০
জানুয়ারী অনুষ্ঠিত পরীক্ষায় মানবিক বিভাগের প্রশ্নপত্রের সাধারণ জ্ঞান অংশে ১৩টি
ইসলাম ধর্ম সম্বন্ধীয় প্রশ্ন রাখা হয়। এর প্রতিবাদে আয়োজিত সমাবেশ শেষে প্রদত্ত
বিবৃতিতে হয়, 'জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা কোনো নির্দিষ্ট ধর্মীয়
সম্প্রদায়ের জন্য নয়, কারও ধর্মীয় বিশ্বাস বা জ্ঞান যাচাইও এর উদ্দেশ্য নয়।'
বিবৃতিতে যুক্তি দেখিয়ে বলা হয়, 'ইসলাম
ধর্ম বা ইসলামের ইতিহাস সম্পর্কে যে-সব প্রশ্ন করা হয়েছে তা অন্যান্য ধর্মের
শিক্ষার্থীদের পক্ষে উত্তর করা সম্ভব নয়।'
বামপন্থী দল বাসদের অঙ্গীভূত এই ছাত্র সংগঠনটি মনে, এর ফলে অন্য ধর্মাবলম্বী
শিক্ষার্থীরা
প্রতিযোগিতায় পিছিয়ে পড়বে।
তাদের মতে,
এ-প্রশ্নপত্রের মাধ্যমে মাদ্রাসা ছাত্রদের বিশেষ সুবিধা দেয়ার যে অভিযোগ উঠেছে তা
অমূলক নয়। সমাজতান্ত্রিক
ছাত্র ফ্রন্টের দাবী,
পরীক্ষার্থীদের সাধারণ জ্ঞান যাচাই করার পরিবর্তে উদ্দেশ্যমূলকভাবে ও সাম্প্রদায়িক
দৃষ্টিভঙ্গি থেকে এ-ধরণের প্রশ্নপত্র তৈরী করা হয়েছে।
তাই সমাবেশ থেকে
প্রশ্নপত্র মূল্যায়নের সময় ধর্মীয় ১৩টি প্রশ্ন বাদ দিয়ে বাকী ৮৭টি প্রশ্নের উত্তরের
ভিত্তিতে মেধা যাচাইয়ের দাবী জানানো হয়। সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্টের আয়োজিত
সমাবেশে বক্তব্য রাখেন সংগঠনের কেন্দ্রীয় সভাপতি ফখ্রুদ্দিন কবির আতিক, সাধারণ
সম্পাদক জনার্দন দত্ত নান্টু, সাংগঠনিক সম্পাদক মেহেদী হাসান তমাল, দপ্তর সম্পাদক
ইমরান হাবিব রুমন, অর্থ সম্পাদক রাহাত আহমেদ প্রমুখ।
ঢাকা থেকে ইমরান হাবিব রুমন
আপলৌডঃ ৩
ফেব্রুয়ারী ২০০৯ |