London:

Home

About us

Services

Contact

Archive

ব্রিটেইনের ডিটেনশন সেন্টারগুলোতে ধুকে মরছে প্রচুর এসাইলাম প্রার্থী

বছরের পর বছর ধরে ব্রিটেইনের ডিটেনশন সেন্টারগুলোতে নিতান্ত মানবেতর পরিস্থিতির মধ্যে বছরের পর বছর অতিবাহিত করছেন বিভিন্ন দেশ থেকে আগত শত-শত ব্যর্থ এসাইলাম আবেদনকারী। এদের সঙ্গে আরও আছেন বিপুল সংখ্যক বিদেশী অপরাধী। বৃহস্পতিবার প্রকাশিতব্য একটি প্রতিবেদন সূত্রে জানা গেছে এ-তথ্য। প্রতিবেদন প্রনয়ণকারী সংস্থার মতে রাজনৈতিকভাবে স্পর্শকাতর বিধায় এদেরকে মুক্তি দেয়া বা সরিয়ে নেয়ার ব্যাপারে কোন ধরণের সিদ্ধান্ত নিচ্ছে না ব্রিটিশ সরকার।

আলোচ্য প্রতিবেদন প্রনয়ণকারী সংস্থা লন্ডন ডিটেইনী সাপৌর্ট গ্রুপ এলডিএসজির পরিচালক জেরেমি ফিলিপস বুধবার সংবাদ-মাধ্যমকে জানান, যাদেরকে ব্রিটেইন থেকে বের করে দেয়া যাচ্ছে না, তাদেরকে ডিটেনশন সেন্টারগুলোতে অবাঞ্ছিত বস্তুর মতো একস্থানে স্তুপীকৃত করে রাখা' ও ভুলে যাবার মতো অবস্থা তৈরী করেছে কর্তৃপক্ষ। প্রতিবেদন প্রস্তুতের লক্ষ্যে এলডিএসজি ২০ মাস ধরে বিভিন্ন ডিটেনশন সেন্টারে সর্বমোট ১৮৮ জন বন্দীর সাথে কথা বলেছে। এসব ভিনদেশী বন্দীরা প্রত্যেকে দীর্ঘদিন ধরেই ডিটেনশন সেন্টারে দিন কাটাচ্ছেন। এলডিএসজি জানিয়েছে ২০ মাস সময়কালের মধ্যে তারা যাদের সঙ্গে কথাবার্তা বলেছেন, তাদের মধ্যে মাত্র ১৮ শতাংশ বন্দীকে নিজ-নিজ দেশে ফিরত পাঠানো হয়েছে।

সংস্থাটি জানিয়েছে, ২০০৬ সালের একটি ঘটনার পর থেকেই এমনকি এক-সময় ছোটোখাটো অপরাধ করা অনেক বিদেশীকেও বছরের পর বছর মুক্তি লাভের পরিবর্তে ডিটেনশন সেন্টারে কাটাতে হচ্ছে। উল্লেখ্য, ২০০৬ সালে বেশ কিছু বিদেশী অপরাধী ডিটেনশন সেন্টারের বাইরে এসে পুরো লাপাত্তা হয়ে যাবার খবরে তোলপাড় শুরু হয়ে গিয়েছিলো।

প্রতিবেদন-মতে, অনির্দিষ্ট কাল ধরে আটক আছেন, এ-ধরণের বন্দীদের বেশির ভাগ এসেছেন সোমালিয়া, ইরাক, ইরান ও আলজেরিয়া থেকে। এসব দেশের বন্দীদের দেশে পাঠিয়ে দেয়ার ব্যাপারটি কখনও-কখনও অধিক ঝুঁকিপূর্ণ মনে হওয়া বা সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর পক্ষ থেকে নিজের নাগরিককে ফিরিয়ে নেয়ার ক্ষেত্রে অনীহা দেখানো হ্য় বলে জানিয়েছে এলডিএসজি।

বন্দীদের দুর্দশাপূর্ণ জীবন ছাড়াও ডিটেনশন সেন্টারগুলোর পেছনে বিপুল অঙ্কের অর্থ-ব্যয়ের ব্যাপারেও দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়েছে প্রতিবেদনে। এলডিএসজি জানিয়েছে, তারা যাদের কাছ থেকে তথ্যাদি নিয়েছেন, অর্থাৎ, উপরোক্ত ১৮৮ জন বন্দীর পেছনে গবেষণা চলা-কালে পর্যন্ত কর্তৃপক্ষের খরচ হয়েছিলো ২২ মিলিয়ন পাউন্ড।

লন্ডনঃ ২৯ জানুয়ারী ২০০৯

 

আজকের প্রধান খবর8

জুলাই আর্কাইভ 8

আর্কাইভ8

 
 

© 2007 Confidence Services Ltd.