London:

Home

About us

Services

Contact

Archive

ওবামা প্রশাসন ইরানের সাথে সিধা-কূটনীতি চায়ঃ জাতিসংঘে মার্কিন দূত

তেহরানের সাথে ওয়াশিংটনের সরাসরি কথা বলার আগ্রহের কথা প্রকাশ করছেন জাতিসংঘে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত সুজান রাইস। রাইস এ-বিষয়ে সোমবার জাতিসংঘের মহাসচিব বান-কি মুনের সাথে কথা বলেছেন। উল্লেখ্য, নতুন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা নির্বাচন-কালীন প্রচারণায় ইরান-সহ অন্যান্য রাষ্ট্রের সাথে সম্পোর্কন্নয়নের জন্য কূটনৈতিকভাবে সরাসরি কথা বলার বিষয়টি উল্লেখ করেছিলেন।

খবরে প্রকাশ, রাষ্ট্রদূত রাইস সোমবারের সাক্ষাতকারে জাতিসংঘ মহাসচিবকে জানান যে, ইরানের সাথে সম্পোর্কন্নয়নের জন্য যুক্তরাষ্ট্র ‘সরাসরি কূটনীতি’ অবলম্বন করবে। তিনি আরও বলেন যে, তেহরানের পারমানবিক কার্যক্রম বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র ‘গভীর ভাবে উদ্বিগ্ন’ এবং বিষয়টি ওয়াইট হাউসের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকারে রয়েছে। বান-কি মুনের সাথে বৈঠক শেষে সুজান রাইস বলেন, ‘আমরা সামনের দিনগুলোতে আকর্ষণীয় বলিষ্ঠ কূটনীতির বিষয়ে ভাবছি যেখানে ইরানের সাথে সরাসরি কূটনৈতিক কথোপকথনের বিষয় অন্তর্ভূক্ত রয়েছে।’ তিনি জানান, ইরানের পারমাণবিক কর্মকাণ্ড বন্ধের জন্য কী প্রয়োজন ও সঠিক, সে-বিষয়টিও খতিয়ে দেখা হবে। তবে রাইস উল্লেখ করেন যে, জাতিসংঘের নিরাপত্তা কাউন্সিলের শর্তাবলী পালনের অস্বীকৃতি বহাল রাখলে ইরানের উপর আন্তর্জাতিক শক্তির চাপের মাত্রা ক্রমশঃ বাড়তেই থাকবে।

এদিকে সোমবার ওয়াইট হাউসের মুখপাত্র রবার্ট গিবস্‌ জানান, ইরানের পারমাণবিক কার্যক্রমের বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশের জন্য যুক্তরাষ্ট্র তার জাতীয় শক্তির সকল উপাদান ব্যবহার করবে। তিনি রাইসের বক্তব্যকে নতুন কোনো পদক্ষেপ নয় হিসেবে বর্ণনা করে জানান, রাইস প্রেসিডেন্ট ওবামার নির্বাচন-কালীন দেওয়া বক্তব্যের পুনরুল্লেখ করেছেন মাত্র। উল্লেখ্য, আন্তর্জাতিক শক্তিসমূহ তেহরানকে অর্থনৈতিক সুযোগ-সুবিধার প্রদানের মাধ্যমে ইউরিনিয়াম সমৃদ্ধকরণ সংক্রান্ত কর্মকাণ্ড বন্ধের প্রস্তাব দিয়ে রেখেছে। পশ্চিমা শক্তি অবশ্য ইরানের কর্মকাণ্ডকে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরীর একটি ছদ্মাবরণ হিসেবে মনে করে। যদিও ইরান জানিয়েছে যে, শুধুমাত্র বিদ্যুত উৎপাদনের লক্ষ্যেই পরমাণু বিষয়ক কর্মসূচি অব্যাহত রেখেছে।  

লন্ডনঃ ২৭ জানুয়ারী ২০০৯ 

 

আজকের প্রধান খবর8

জুলাই আর্কাইভ 8

আর্কাইভ8

 
 

© 2007 Confidence Services Ltd.