|
গাজাতে জাতিসংঘ
পরিচালিত স্কুলগুলো পুনরায় খুলে দেওয়া হচ্ছে
গাজাতে
অস্ত্র-বিরতি
কার্যকরী হওয়া
এবং জাতিসংঘ-সহ
অন্যান্য সাহায্য সংস্থাগুলোর উপর থেকে ইসরায়েলী নিষেধাজ্ঞা উঠে যাওয়ার কারণে
জাতিসংঘ
পরিচালিত স্কুল আবার চালু হতে যাচ্ছে।
তিন
সপ্তাহ-ব্যাপী
ইসরায়েলী হামলায় জাতিসংঘ পরিচালিত স্কুলগুলোর ব্যাপক ক্ষয়-ক্ষতি হয়েছে।
উল্লেখ্য,
জাতিসংঘের
স্কুলগুলো চালু হলে প্রায় ২ লক্ষ ফিলিস্তিনী শিশুর স্কুলে যাওয়া সম্ভবপর
হবে।
খবরে প্রকাশ,
তিন
সপ্তাহের ইসরায়েলী আগ্রাসনে কারণে
জাতিসংঘ
পরিচালিত ২০০টি স্কুলের মধ্যে প্রায় ৩০টি স্কুল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
গত
রোববার
থেকে কার্যকর হওয়া অস্ত্র-বিরতির পর ক্ষয়-ক্ষতির হিসাব দিতে গিয়ে জাতিসংঘ এ-তথ্য
জানিয়েছে।
স্মরণ
করা যেতে পারে,
ইসরায়েলী
আক্রমণে জাতিসংঘ পরিচালিত আল-ফাকুরা স্কুলে আশ্রয় নেয়া ৪০ ফিলিস্তিনী
প্রাণ
হারিয়ে ছিলেন।
সংবাদ মাধ্যমে
প্রকাশ,
গাজায়
প্রায় ২০ হাজার ঘর-বাড়ী বড়ো মাত্রায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ও প্রায় ৪
হাজার
ঘর-বাড়ী সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে গিয়েছে।
গাজার
প্রায় অর্ধ-লক্ষাধিক মানুষ গৃহ-হারা
ও ৪
লক্ষ মানুষ পানির অভাবে কষ্ট পাচ্ছে।
জাতিসংঘ
জানিয়েছে,
গাজার স্কুল,
হাসপাতাল,
মসজিদ ও
বাড়ী-ঘর পুনর্গঠনের জন্য বিরাট
অঙ্কের
অর্থের প্রয়োজন।
ইসরায়েল
অবশ্য অস্ত্র-বিরতি ঘোষণা দেওয়ার পর সম্প্রতি
নভেম্বর
মাস থেকে বন্ধ থাকা বিভিন্ন সাহায্য সংস্থা ও জাতিসংঘের কার্যক্রম পুনরায়
চালু
করার অনুমতি দিয়েছে।
ইসরায়েল অবশ্য
জাতিসংঘ
স্কুলে আক্রমণের কারণ হিসেবে হামাসের উপস্থিতিকে দায়ী করেছে।
ইসরায়েল
জানায়,
আশ্রয়স্থল
হিসেবে ব্যবহৃত হওয়া স্কুলগুলোর যেগুলো থেকে রকেট ছোঁড়া হয়েছে বা হামাসের
ঘাঁটি
হিসেবে ব্যবহার হয়েছে কেবল সেখানেই আক্রমণ করা হয়েছে।
জাতিসংঘ
অবশ্য এ-বিষয়ে
একটি স্বাধীন
তদন্তের মাধ্যমে ঘটনার সত্যতা যাচাই করার কথা বলেছে।
আরও
জানিয়েছে যে,
ঘটনার সত্যতা
প্রমাণিত হলে ইসরায়েল বিরুদ্ধে অপরাধের অভিযোগ আনা হবে।
এদিকে মার্কিন
যুক্তরাষ্ট্রের নতুন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা গাজায় অস্ত্রের চোরা-চালান বন্ধের
জন্য
সৌদী বাদশা আব্দুল্লাহর সমর্থন চেয়েছেন।
ইসরায়েল
সতর্ক বার্তা দিয়েছে পুনরায়
মিশর-গাজা
সীমান্তে অস্ত্রের চোরা-চালান শুরু হলে নতুন করে সেনা অভিযান চালানো হবে।
উল্লেখ্য,
ইসরায়েল
মিশর-গাজা সীমান্ত এলাকায় সুড়ঙ্গ পথে অস্ত্রের চোরা-চালানের
অভিযোগ
বহুদিন থেকে করে আসছে।
কিন্তু
ফিলিস্তিনীরা জানিয়েছে,
ইসরায়েল
সীমান্ত
এলাকায় যেভাবে
কড়া পাহারা বসিয়ে রেখেছে তাতে সুড়ঙ্গ পথেই জীবন ধারণের প্রয়োজনীয়
জিনিস-পত্র যেমন খাদ্য,
ওষুধ,
জ্বালানী তেল প্রভৃতি আনা যেতে পারে।
লন্ডনঃ ২৪
জানুয়ারী,
২০০৯ |