|
ব্রিটেইনের নাগরিক হতে চাইলে
ইমিগ্রেশন ট্যাক্স
পরিশোধ করতে
হবে
ব্রিটেইনে
অভিবাসন লাভ করতে চাইলে সামনের দিনগুলোতে বিদেশীদেরকে ‘ইমিগ্রেশন ট্যাক্স’ প্রদান
করতে হবে।
অভিবাসন আকাঙ্খীরা
শিক্ষা প্রতিষ্ঠান,
হাসপাতাল থেকে শুরু করে যে-সব
প্রতিষ্ঠান থেকে সেবা-গ্রহণ
করে যে-সব
প্রতিষ্ঠানে উন্নয়নের ট্যাক্সের অর্থ কাজে লাগানো হবে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
খবর বুধবারের।
কর্তৃপক্ষের বরাতে সংবাদ-মাধ্যম জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার
প্রকাশিতব্য বর্ডার,
ইমিগ্রেশন এ্যান্ড
সিটিজেনশিপ বিলটিতে ‘ইমিগ্রেশন ট্যাক্স’ প্রচলনের বিধান ছাড়াও ব্রিটেইনে অভিবাসন
আগ্রহী আবেদনের দ্রুত-সুরাহার প্রস্তাব করা হয়েছে।
তবে এক্ষেত্রে যেসব
আবেদনকারী ভলান্টারী বা কমিউনিটি ওয়ার্কের সাথে যুক্ত হবেন আবেদন যাচাই-বাছাইয়ের
আবেদন সুরাহার ক্ষেত্রে তাদেরকেই অগ্রাধিকার দেয়া হবে।
প্রস্তাবিত বিলটি গৃহীত
হলে ‘আর্নড সিটিজেনশিপ স্কিমের’ আওতায় বছরে কমপক্ষে ২৫ হাজার বিদেশীর হাতে ব্রিটিশ
পাসপৌর্ট তুলে দেয়া যেতে পারে বলে ধারণা করছে কর্তৃপক্ষ।
উল্লেখ্য,
বর্তমান হৌম সেক্রেট্যারী
জ্যাকী স্মিথ
মনে করেন ব্রিটেইনে আবাস গাড়তে আগ্রহী প্রত্যেক বিদেশীর জন্য নাগরিকত্বের আবেদন
করার বাধ্যবাধকতা থাকা দরকার।
উল্লেখ্য,
গত বছর সরকারের পক্ষ
থেকে প্রথমবারের মতো ‘ইমিগ্রেশন ট্যাক্স’ চালু করার ঘোষণা দেয়া হয়েছিলো।
জানা গেছে,
সব কিছু ঠিকঠাক মতো চললে সামনের এপ্রিল মাস থেকে বিদেশীদের জন্য
নতুন ট্যাক্সের নিয়মটি চালু হয়ে যাবে।
জানা গেছে,
নিয়মটি চালু হয়ে গেলে ব্রিটেইনে আগমনের জন্য ভিসা-গ্রহনকারী
প্রত্যেক বিদেশী নাগরিককে
‘ট্র্যানজিশন
ফান্ড’ নামক একটি তহবিলের জন্য বাড়তি অর্থও প্রদান করতে হবে।
এভাবে সংগৃহীত অর্থ
অভিবাসনের প্রভাব মোকাবেলাকারী সংস্থার (যেমন লৌকাল অথরিটী
ও পুলিস)
পেছনে ব্যয় করা হবে।
ভিসা-প্রতি ২০ পাউন্ড
পর্যন্ত ‘ট্রানজিশন ফী’
ধার্য্য করা হতে
পারে বলে জানা গেছে।
সংশ্লিষ্ট বিভাগের মন্ত্রীদের
ধারণা এ-পদ্ধতিতে মিলিয়নকে মিলিয়ন পাউন্ড সংগ্রহ করা সম্তব হবে।
কিন্তু লৌক্যাল
গভর্মেন্ট এসৌসিয়েশন
জানিয়েছে,
অভিবাসনের স্রোত-জনিত
কারণে তাদেরকে
যে-পরিমাণ বাড়তি অর্থ ব্যয় করতে হচ্ছে বিদেশীদের ভিসা বাড়তি
ফী যুক্ত করে তার কাছাকাছি অঙ্কের অর্থ সংগ্রহ করা সম্তব
হবে না।
এসৌসিয়েশনের
হিসাব মতে অভিবাসন-জনিত বাড়তি ব্যয় ঠেকানোর জন্য লৌকাল গভর্মেন্টের হাতে বছরে
কমপক্ষে ২৫০ মিলিয়ন পাউন্ড বাড়তি অর্থ থাকা দরকার।
বৃহস্পতিবার
প্রকাশিতব্য বর্ডার,
ইমিগ্রেশন এ্যান্ড
সিটিজেনশিপ বিলটিতে ব্রিটেইনের অবস্থানকারী ও নাগরিকত্ব লাভে আগ্রহীদের জন্য
‘প্রবেশনারী সিটিজেনশিপ’ এর বিধান চালুরও প্রস্তাব করা হয়েছে।
তথ্যমতে,
নাগরিকত্ব লাভে আগ্রহী
একজন ব্যক্তির ‘প্রবেশনারী সিটিজেনশিপ’-এর
মেয়াদ কতোটা
দীর্ঘ হবে, তা
উক্ত ব্যক্তির স্বেচ্ছাসেবামূলক
তৎপরতার মাত্রার উপরে নির্ভর করবে।
লন্ডনঃ
১৫ জানুয়ারী ২০০৯
|