|
যুগল
বোমায় প্রকম্পিত ইস্তানবুলঃ
সন্ত্রাসী কাণ্ড বলে গভর্নরের দাবী
ইউরৌপ ও এসিয়ার মিলন
ক্ষেত্র বলে পরিচিত তুরস্কের ইস্তানবুলে রোববার সন্ধ্যা-রাতে সামান্য সময়ের
ব্যবধানে বিস্ফোরিত দুটি বোমায় কমপক্ষে ১৭ ব্যক্তি নিহত ও ১৫০ আহত হয়েছে।
কর্তৃপক্ষীয় সুত্রে প্রাপ্ত সংবাদে জানা যায়, প্রথম বোমাটি বিস্ফোরিত
হয় ইস্তানবুলের আবাসিক এলাকার একটি শপিং গুঙ্গোরেনে একটি
টেলিফৌন বুথের কাছে। প্রায় দশ মিনিট পর কয়েক মিটার দূরে বিস্ফোরিত হয় দ্বিতীয়
বোমাটি। ইস্তানবুল গভর্নর মুয়াম্মের গুলের এ-ঘটনাকে সন্ত্রাসী কাণ্ড বলে বর্ণনা
করেছেন।
ঘটনার বিবরণে জানা যায়,
প্রথম বিস্ফোরিত বোমাটি গুঙ্গোরেন এলাকায় একটি ময়লার স্তুপে পোঁতা ছিলো। প্রথম
বোমাটি বিস্ফোরণের ফলে লোক-জন সেখানে ভীড় জমালে অধিকতর শক্তিশালী দ্বিতীয় বোমাটি
বিস্ফোরিত হয়। ঘটনার পরম্পরা থেকে বুঝা গেছে, প্রথম বোমাটির উদ্দেশ্য ছিলো লোক-জড়ো
করা এবং দ্বিতীয়টির লক্ষ্য ছিলো জড়ো-হওয়া লোকদের আঘাত করা। দৃশ্যতঃ সর্বোচ্চ সংখ্যক
প্রাণহানির উদ্দেশ্য থেকে এ-রকমের পদ্ধতির আশ্রয় নেয়া হয়েছে।
প্রত্যক্ষদর্শীর বরাত
দিয়ে সংবাদ-মাধ্যমগুলো জানাচ্ছে, বিস্ফোরণের ফলে নিহত ব্যক্তিদের ছিন্ন-বিচ্ছিন্ন
অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ রাস্তায় ছড়িয়-ছিটিয়ে ছিলো এবং সে-সাথে পড়ে ছিলো ব্যাপক সংখ্যক আহত
মানুষের কাতরানো দেহ।
এ-রিপৌর্ট লেখা পর্যন্ত
কোনো ব্যক্তি বা সংগঠন এ-বোমা হামলার দায়-দায়িত্ব স্বীকার করেনি। বরাবরের মতো
শুরুতেই একমাত্র কুর্দী ওয়ার্কার্স পার্টি পিকেকের উপরই সন্দেহ করা হচ্ছে না।
সাম্প্রতিক কালে আল-কায়েদার তৎপরতা বৃদ্ধি পাওয়ায় সন্দেহের তালিকায় এদেরও
অন্তর্ভূক্ত করা হয়েছে।
লন্ডনঃ ২৭ জুলাই, ২০০৮ |