|
বাতিলের বাতিলঃ বাংলাদেশে ১৫
আগস্ট
আবার
শোক দিবস ও ছুটি
বাংলদেশের
স্বাধীনতা আন্দোলনের প্রেরণা-পুরুষ ও রাষ্ট্রপতি শেখ মুজিবর রহমানকে
স্বাধীনতা-উত্তর কালে ১৯৭৫ সালে সপরিবারে হত্যার
দিনটিকে - ১৫ আগস্টকে - পুনরায়
জাতীয় শোক দিবস
হিসেবে পালনের নির্দেশ জারী করেছে সে-দেশের উচ্চ আদালত।
এছাড়াও বিএনপি-জামাত
সরকারের আমলে পনেরো আগস্টে জাতীয় ছুটি বাতিল-করণকে অবৈধ বলে রায় দেয়া হয়েছে।
সর্বোচ্চ আদালতের পক্ষ
থেকে রায়টি দেয়া হয়েছে রোববার।
শেখ
মুজিবর রহমানের দুই জীবিত কন্যার জ্যেষ্ঠা শেখ হাসিনার নেতৃত্ত্বাধীন দল আওয়ামী লীগ
সমর্থক তিন আইনজীবীর রিট আবেদনের প্রেক্ষিতে বিচারপতি মোহাম্মদ আব্দুর রশিদ ও
বিচারপতি এম আশফাকুল ইসলামের বেঞ্চ এ-রায় দেন।
এর ফলে ১৫ আগস্ট সরকারী
ছুটি বহাল হলো বলে আইনজীবীরা জানিয়েছেন।
সরকার যদি হাইকৌর্টের
এ-রায়ের বিরুদ্ধে আপীল না করে, তাহলে আগামী ১৫ আগস্ট বাংলাদেশে জাতীয় শোক দিবস
পালিত হবে এবং ঐ দিন দেশটিতে সরকারী ছুটি পালিত হবে।
সুপ্রিম কৌর্টের
আইনজীবী
ও
বঙ্গবন্ধু
আইনজীবী
পরিষদের
সাংগঠনিক
সম্পাদক
মোঃ
মোজাম্মেল
হক,
এাডভোকেইট
মোল্লা
আবু
কায়সার
ও
এমএ
মালেক
গত
বছর
৫
আগস্ট
রিট
আবেদনটি
দায়ের
করেন।
রিট দায়েরের পর দিন
হাইকৌর্ট ১৫ আগস্টকে কেনো জাতীয় শোক দিবস ও সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হবে না, তার কারণ
দর্শানোর জন্য সরকারের প্রতি রুল জারী করে আদালত।
একইসঙ্গে ১৫ আগস্ট জাতীয়
শোক দিবস ও ছুটি বাতিল কেনো অবৈধ ঘোষণা করা হবে না তারও ব্যাখ্যা চাওয়া হয়।
রোববার
রায়ের পর রিটকারী
এাডভোকেইট
মোজাম্মেল হক ইউকেবেঙ্গলিকে বলেন,
'এ-রায়ের
ফলে জাতির জনক ও তার পরিবারের সদস্যদের রক্তের ঋণ শোধ করার সুযোগ পেলাম।
এখন থেকে জাতি শ্রদ্ধার
সঙ্গে ১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবস পালন করবে।'
১৯৯৬
সালে ক্ষমতায় আসার পর শেখ মুজিবুর রহমানের হত্যার দিন ১৫ আগস্টকে শোক দিবস ও
দিনটিতে সরকারী ছুটি ঘোষণা করে আওয়ামী লীগ।
২০০১ সালে
বিএনপি-জামায়াত জোট সরকার ক্ষমতায় আসার পরের বছর সে-ছুটি বাতিল করা হয়।
ঢাকা থেকে
আবদুর রহিম হারমাছি
২৭ জুলাই
২০০৮ |