London:

Home

About us

Services

Contact

Archive

বৈষম্য-শোষণ-দূর্নীতির বিরুদ্ধে নেপালে পুলিসের ভিতরে বিদ্রোহ

পশ্চিম নেপালের একটি পুলিস ক্যাম্পে নিম্নপদস্থ প্রায় ৫০০ রায়ট পুলিস অফিসার তাদের প্রতি অসদাচরণ ও নিম্নমানের খাদ্যের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ স্বরূপ ৭জন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাকে পণবন্দী করেছে। রাজধানী কাঠমাণ্ডু থেকে ৫০০ কিলোমিটার পশ্চিমে নেপালগঞ্জ পুলিস ক্যাম্পে এ-বিদ্রোহ সংঘটিত হয় বলে সংবাদ মাধ্যমে জানা যায়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সরকারের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয় বিভিন্ন-মুখী তৎপরতা শুরু করলেও রোববার পর্যন্ত পরিস্থিতি অপরিবর্তিত রয়েছে।

স্থানীয় সরকারী প্রশাসক কৃষ্ণা আচারিয়া জানান, নেপালগঞ্জের পুষ্পলালা চক বীরেন্দ্র চক পর্যন্ত এলাকে জুড়ে বিদ্রোহী ব্যাটেলিয়ানকে সরকারী বাহিনী কর্ডন করে রেখেছে এবং অপ্রত্যাশিত পরিস্থিতি এড়াবার জন্য বিদ্রোহী ক্যাম্পের ৫০০ মিটার ব্যাসের মধ্যে যানবাহন চলাচল নিষিদ্ধ করা হয়েছে। আচারিয়া আরও জানান, এপিএফ সুপারিন্টেন্ডেন্ট মান সিং মনির নেতৃত্বে আর্মড পুলিসের একটি বাহিনী এবং ডিএসপি গোবিন্দরাম পারিয়ারের নেতৃত্বে সিভিল পুলিসের আরেকটি বাহিনীকে উপদ্রুত এলাকায় অবস্থান নিয়েছেন। সংবাদ মাধ্যমে জানা যায়, রোববার সকালে সেনাবাহিনীর হেলিকপ্টার বিদ্রোহী ক্যাম্প ও তৎসংলগ্ন এলাকায় আকাশ-চক্কর দিলে স্থানীয় জনসাধারণের মধ্যে ভীতি সঞ্চার হয় এবং স্বাভাবিক জীবন-যাত্রা ব্যাহত হয়।

এদিকে, বিদ্রোহী পুলিসেরা রোববার মানবাধিকার কর্মী ও সাংবাদিকদের সাথে বিদ্রোহ-স্থলে বৈঠকে মিলিত হয়ে পুলিস বিভাগে বৈষম্য, শোষণ ও দূর্নীতির নিরসন-সহ ২০ দফা দাবী পেশ করেছে। বিদ্রোহীরা বলেছে, তারা মধ্য-পশ্চিমাঞ্চলের পুলিসের ডিআইজির সাথে সরাসরি কথা বলে পরিস্থিতির নিরসনে আগ্রহী, তবে তাদেরকে প্রতিশ্রুতি দিতে হবে যে তাদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবাস্থা নেয় হবে না। বিদ্রোহীদের নেতা সাব ইন্সপেক্টর ধন বাহাদুর বলেন, 'আমদের বিরুদ্ধে শক্তি-সমাবেশ ঘটানো হলে আমরা এর প্রত্যুত্তর দেবো; আমাদের দাবীকে অবহেলা করা হলে পরিণতি খারাপ হবে এবং উচ্চপদস্থ অফিসারদের মুক্তি দেয়া হবে না, যদি না আমাদের দাবী মানা হয়।'

লন্ডনঃ ১৩ জুলাই, ২০০৮

 

আজকের প্রধান খবর8

জুলাই আর্কাইভ 8

আর্কাইভ8

 
 

© 2007 Confidence Services Ltd.