|
জরুরী ক্ষমতার
আইনের ধারা
চ্যালেইঞ্জ করে রিট বাংলাদেশে
বাংলাদেশে
জরুরী
ক্ষমতা
আইনের
কয়েকটি
বিধানের
(ধারা)
বৈধতা
চ্যালেঞ্জ
করে
দেশটির
হাইকোর্টে
রিট
আবেদন
করা
হয়েছে।
আবেদনটি
করেছেন
গত
বছরের
অক্টোবরে
রাষ্ট্রপতি
ইয়াজউদ্দিন
আহমদের
নেতৃত্বে
গঠিত
তত্ত্বাবধায়ক
সরকার
থেকে
পদ্যত্যাগকারী
চার
উপদেষ্টার
একজন
এাডভোকেইট
সুলতানা
কামাল,
ঢাকা
বিশ্ববিদ্যালয়ের
আইন
বিভাগের
সহকারী
অধ্যাপক
হাফিজুর
রহমান ও
দৈনিক
নিউ
এইজ
পত্রিকার
সম্পাদক
নুরুল
কবির।
বৃহস্পতিবার উপরোক্ত তিন ব্যক্তির পক্ষে বিচারপতি নাজমুন আরা সুলতানা ও বিচারপতি
মোঃ রেজাউল হকের বেঞ্চে রিটটি দায়ের করেছেন ব্যারিস্টার আমীর উল ইসলাম।
আগামী রোববার এ-বিষয়ে
শুনানি অনুষ্ঠিত হতে পারে।
রিটে জরুরী ক্ষমতা
অধ্যাদেশের ৩ (৩) (খ) ও ৩ (৪) ধারা এবং জরুরী ক্ষমতা বিধিমালার ১১ (৩), ১৯ (ঘ) ও ১৯ (ঙ) ধারার
বৈধতা চ্যালেঞ্জ করা হয়েছে।
এ-ধারাগুলোর কার্যকারিতা
স্থগিতের পাশাপাশি কেনো এগুলো সংবিধান পরিপন্থী ও অবৈধ ঘোষণা করা হবে না, সে-ব্যাপারে সরকারের
প্রতি রুলজারীর আবেদন জানানো হয়েছে।
রিটে আইন সচিব ও
স্বারাষ্ট্র সচিবকে প্রতিপক্ষ করা হয়েছে।
এ-ব্যাপারে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় নিউএইজ-সম্পাদক নুরুল কবীরের সঙ্গে যোগাযোগ করা
হলে তিনি ইউকেবেঙ্গলিকে টেলিফোনে বলেন, জরুরী বিধিমালার যে-সব
ধারায় জামিন দেওয়ার সুযোগের বিরোধিতা রয়েছে, রিটে সেগুলোকে
চ্যালেইঞ্জ করা হয়েছে।
কবীর বলেন,
'যখন বিধি প্রণয়ন করে একজন অভিযুক্তের জামিনের সুযোগ বন্ধ করা হয়, সেটা বাংলাদেশের সংবিধান, আইনের শাসন এমনকি জরুরী
অধ্যাদেশের পরিপন্থী হয়।
যে-কোনো অভিযুক্ত আদালতে
দোষী প্রমাণিত হওয়ার আগ পর্যন্ত 'ইনৌসেন্ট'। জরুরী আইন জারীর আগে সংঘটিত কোনো অপরাধ
যেটা জামিন যোগ্য ছিলো, সেটা জরুরী আইন প্রণয়ন করে রেট্রোস্পেকটিভ এফেক্ট দিয়ে বন্ধ
করা অপরাধ, বেআইনী।' এসব বিষয়কে চ্যালেঞ্জ
করেই আদালতে রিট আবেদন করা হয়েছে বলে নুরুল কবীর জানান।
প্রসঙ্গতঃ অনেক বিতর্কের পর ২০০৭ সালের ২৯ অক্টোবর বিএনপি-জামায়াত জোট সরকার
রাষ্ট্রপতি ইয়াজউদ্দিন আহমেদ রাষ্ট্রপতির পাশাপাশি তত্ববধায়ক সরকারের প্রধান
উপদেষ্টার দায়িত্ব নেওয়ার পর ক্ষমতা ছাড়ে।
৩১ অক্টোবর ১০ জন
উপদেষ্টা শপথ দেন।
৪০ দিন দায়িত্ব পালনের
পর রাষ্ট্রপতির কর্মকান্ডে অসন্তোষ প্রকাশ করে চার জন উপদেষ্টা - ডঃ আকবর আলি খান
(বর্তমানে রেগুলেটরী রিফর্মস কমিশনের চেয়ারম্যান), হাসান মাসুদ চৌধুরী
(বর্তমানে দুর্নীতি দমন কমিশনের চেয়ারম্যান), এডভোকেট সুলতানা কামাল ও
সাবেক সচিব সিএম শফি সামি - পদত্যাগ করেন।
এরপর বিতর্কিত চার
উপদেষ্টা নিয়োগ দেয়া হয়।
২২ জানুয়ারীর জাতীয়
নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করে তত্বাবধায়ক সরকার।
কিন্তু আওয়ামী লীগ-সহ
অন্য দলগুলো ঐক্যবদ্ধভাবে নির্বাচন বয়কটের ঘোষণা দিয়ে আন্দোলনের কর্মসূচি ঘোষণা করে।
এ-পরিস্থিতিতে চলতি
বছরের ১১ জানুয়ারী সেনাবাহিনীর আহবানে জরুরী অবস্থা রাজী করেন রাষ্ট্রপতি।
১২ জানুয়ারী বাংলাদেশ
ব্যাংকের সাবেক গভর্ণর ডঃ ফখরুদ্দীন আহমদের নেতৃত্বে সেনা সমর্থিত তত্বাবধায়ক সরকার
দায়িত্ব গ্রহণ করে।
ঢাকা থেকে
ইউকেবেঙ্গলি রিপৌর্টার
৫ জুন, ২০০৮
আর্কাইভ8 |