|
ছত্রিশ
বছর বয়স্ক শান্ত-সুশীল গরিলা পাত্রের জন্য পাত্রী আবশ্যক!
পাত্রী
চাই! ভারতের একমাত্র গরিলা পাত্রের জন্য পাত্রী আবশ্যক!
পৌলো নামের এ-গরিলাটির জন্য
পাত্রী খোঁজা চলছে, কিন্তু মিলছে
না। যদিও ৬ ফুট উচ্চতার সুশীল পাত্রটির জন্য দীর্ঘ
৮ বছর যাবত পাত্রী খোঁজা হচ্ছে।
পৌলো বর্তমানে বাস করছে মহীশুর চিড়িয়াখানায়। ১৯৯৫
সালে আয়ারল্যান্ডের ডাবলিন চিড়িয়াখানা থেকে
পৌলোকে ভারতে উপহার হিসেবে পাঠানো
হয়েছিলো। পোলোর সঙ্গী সুমতী ২০০০ সালে মারা যাওয়ার পর থেকেই সে নিঃসঙ্গ জীবন-যাপন
করছে।
চিড়িয়াখানার
পরিচালক বিজয় রঞ্জন সিংহ পাত্রী-খোঁজা প্রসঙ্গে বলেন,
'আমরা পৃথিবীর প্রধান
চিড়িয়াখানাগুলোর সাথে যোগাযোগ করেছি। আমরা আমাদের সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছি।' তিনি
জানান, যেহেতু গরিলারা বিপন্নপ্রায় প্রজাতি তাই অন্যান্য চিড়িখানাগুলো এ-প্রস্তাবে
সম্মত হয়নি। আর মহীশুর চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষও
পৌলোকে দেশের বাইরে পাঠাতে চায়
না। কারণ
পৌলো ভারতের একমাত্র গরিলা। এছাড়া প্রজননের উদ্দেশ্যে পরিচালিত প্রাণীদের
স্থানান্তর নির্দিষ্ট নিয়মের ভিতরে একই অঞ্চলের মধ্যে হয়ে থাকে।
গরিলারা দলবদ্ধ হয়ে
জীবন-যাপন করে। তাই
পৌলোর একাকীত্ব হয়তো তাকে মানসিক ভাবে আঘাত করতে পারে। এ-জন্য
সিং শেষ চেষ্টা করে দেখবেন। কারণ
পৌলোকে তারা মানসিক ও আবেগগতভাবে উদ্দীপ্ত করতে
পারছেন না। তার জীবনে আনন্দ বলতে আছে স্নান আর খাবার
খোঁজা, যে খবারগুলো তার
দেখাশোনাকারী বরফ অথবা বাঁশের মাঝে লুকিয়ে রাখে।
পৌলো স্থানীয় কানাড়া ভাষা এবং
ইংরেজী- দুটো'ই বুঝতে পারে আর সে-অনুযায়ী সাড়াও দিতে পারে।
লন্ডনঃ ২৪ অক্টোবর,
২০০৮ |