|
বাইসাইকেল চুরির ইতিহাসে নামকরা হয়ে থাকবে
টোরোন্টৌর 'বাইসাইকেল থীফ'
না,
এটি বিখ্যাত 'বাইসাইকেল থীফ' ছবির কাহিনী নয়। অবশ্য, বাস্তব এ-চোর নামকরা হয়ে থাকবে
বাইসাইকেল চুরির ইতিহাসে তার 'অবদানের' জন্য।
গত
জুন মাসে ক্যানাডার
টোরোন্টৌতে পালিত হয়েছে 'টোরোন্টৌ বাইসাইকেল মাস' মানুষকে
বাইসাইকেল ব্যবহার করায় উৎসাহ দিতে। কিন্তু বাইসাইকেল চালকদের সাথে উৎসাহিত হয়ে পড়ে
বাইসাইকেল চোরও। খবরে প্রকাশ,
টোরোন্টৌ শহরে গত জুলাই থেকে পুলিসের কাছে
সাইকেল চুরির অভিযোগের হার হঠাৎ করে বেড়ে যায়।
এর পরিপ্রেক্ষিতে কর্তৃপক্ষ চোরকে
ধরার জন্য বাইসাইকেলের ফাঁদ পাতে পুলিস এবং
বাইসাইকেল চোর কেঙ্ক ও তার সাথীকে সাইকেল চুরিতে হাতে-নাতে পাকড়াও করে।
কিন্তু পুলিস তখনও জানেনি যে তার কতো বিরাট চোরকে ধরেছে।
অনুসন্ধানের স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায়
কেঙ্কের দোকানে হানা দিয়ে পুলিসের
আক্কেলগুড়ুম হয়ে যায়। কারণ সেখানে এতো সংখ্যক বাইসাইকেল
ছিলো যে, দমকল বাহিনী ডেকে সেগুলোকে বের করতে হয়েছে। এছাড়া তার বাড়ী থেকেও ড্রাগ-সহ
দুশো বাইসাইকেল জব্দ করা হয়েছে। পুলিস জানায়, চোরাই
বাইসাইকেল রাখার জন্য কেঙ্ক টরেন্টোতে ১০টি গ্যারাজও ভাড়া
নিয়েছিলো। কেঙ্কের কাছ থেকে সর্বমোট প্রায় ২,৮৬৫টি বাইসাইকেল
উদ্ধার করা হয়েছে। গ্রেফতারের সংবাদ শুনে প্রায় ১৫,০০০ মানুষ গিয়েছিলো হারানো
বাইসাইকেল খুঁজে পেতে। এর মধ্যে ৫০০ জন তাদের সাইকেল খুঁজে
পেয়েছে।
মজার ব্যাপার হলো,
লোহার দাম বাড়ার আশায় সাইকেলগুলো জমিয়ে রেখেছিলো কেঙ্ক। কারণ দাম বাড়লে সে
বাইসাইকেলগুলো গলিয়ে বিক্রি করে দিতো। গ্রেফতারের পর কেঙ্ক
এখন ২৭৫,০০০ ডলারের জামিনে আছে। তার বিরুদ্ধে ৫৮টি অভিযোগের মামলার শুনানি শুরু হবে
আসছে সেপ্টেম্বরে।
আপলৌডঃ ২৭ অগাস্ট,
২০০৮ |