|
নাসা কর্তৃক চাঁদে মনুষ্য-বসতি স্থাপনের পরিকল্পনা
চাঁদের হাট এখন গল্পে নয়, বাস্তবে রূপ পেতে যাচ্ছে। আমেরিকার বিজ্ঞানী প্রকৌশলী আর স্থপত্যবিদরা চাঁদে মনুষ্য বসতি স্থাপনের পরিকল্পনা তৈরী করছেন। মার্কিন মহাকাশ বিজ্ঞান সংস্থা নাসা জানিয়েছে, চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে অবস্থিত হ্রদের অভ্যন্তরে তৈরী হবে এ-স্থাপনা।
বিবরণে আরও প্রকাশ,
এান্টার্টিকায় অবস্থিত বিজ্ঞানীদের আবাসস্থলের আদলে তৈরী হবে চাঁদের স্থাপনাসমূহ এবং প্রথম অবস্থায় এটা হবে স্বল্প পরিসরে। নাসা আশা করছে, দু’প্রজন্মের ব্যবধানে সেখানে পর্যটন কেন্দ্র ও
চার্চ-সহ বিনোদনের সুযোগ-সুবিধা তৈরী করা সম্ভব হবে।
এমনকি রাস্তা-ঘাট তৈরী করা সম্ভব হবে।
আর এগুলোর নামকরণ করা হবে নীল আর্মস্ট্রং, স্টিফেন হকিংস-সহ
মহাকাশ-বিজ্ঞান সংশ্লিষ্ট পৃথিবী বরেণ্য ব্যক্তিদের নামে।
গত শতাব্দীতে মহাকাশ যাত্রার প্রথম যুগে সব কিছুতে
রাষ্ট্রীয় মনোপলী থাকলেও, এখন রাষ্ট্রের পাশাপাশি ব্যক্তি মালিকানাধীন কোম্পানীও এতে সামিল হয়েছে। চীন, জাপানের পাশাপাশি ভারতও এখন মহাকাশের পথে পা বাড়িয়েছে। আসছে সেপ্টেম্বরে ভারত চাঁদে মনুষ্যবিহীন যান পাঠানোর পরিকল্পনা করেছে। প্রশ্ন থেকে যায় 'চাঁদ তুমি কার?' প্রথাগত নিয়মে পতাকা গেঁড়ে এখন আর মালিকানা দাবী করা সম্ভব নয়। যদি তাই-ই হয়, তবে সে-অধিকার রাশিয়ার। কারণ সোভিয়েত যুগে রাশিয়াই সর্বপ্রথম মনুষ্য বিহীন যান চাঁদে প্রেরণ করেছিলো। তাই অনেকের মতে এখনই চাঁদের বিষয়ে ফয়সালা হওয়া উচিৎ।
নাসা জানিয়েছে, সব ঠিক থাকলে ২০২৪ সালে নতুন ধরণের মহাকাশ যানে চড়ে প্রথম অভিবাসী দল চাঁদে গিয়ে বসতি স্থাপন করতে পারবেন এবং তাদের সবাই হবেন বিজ্ঞানী। আর এঁদের পরিশ্রমের ফলেই ২০৫০ সালের মধ্যে এটি শহরে রূপান্তরিত হবে।
আপলৌডঃ ১৩ অগাস্ট, ২০০৮ |