বর্ষা নিয়ে
কবিতার আসরে মেয়েটি পরেছিলো নীল শাড়ি
চোখ দু-টো
মনে আছে, ভুলে
গেছি আর সব
মাইক্রোফোনের
সামনে সে ঝরে পড়ছিলো টুপ টাপ
টুপ টাপ
টুপ টাপ
শুকনো
ছিলো স্নান সারা চুল, খোলা ছিলো
দখিনের হাওয়া-
নাওয়া
খাওয়া ভুলোমনো কবি বলে
দেহে নয়,
প্রেম বাজে প্রভাত সঙ্গীতে
বর্ষা
নিয়ে কবিতার আসরে কাঁদলো মেয়েটি,
অঝোর কাঁদলো
আর বিষাদ
নীলিমা সব তুলে দিলো কবির কাঁধে।
এবার
ঘরে ফেরার ভাড়া
কাঁচ,
ঘর, রিক্স, মানুষ সবার সাথে ভাব
হয়ে আছে
মানুষটা কি করে পারে, বার বার শুধরে নেবার
মুহূর্ত
আর যদি
নাও আসে-তবে আগে পিছে কি হবে ভেবে
মিছে-
এখনই স্বর্গ করে তোলো না কেনো পৃথিবীকে
একটু
হাসির জন্যেই সকলেরই হাপিত্যেস
বুক
জ্বলে গেলো নিকোটিনের বাঁশীর তোড়ে
এতো
ধোঁয়া আর দেখিনি,
জীবনে কি শীত নেবে এলো?
যাচ্ছি
ঘরে ফিরবো না? সকলেই থাকবে ভালো।