ভালই
তো দেখাইতাছেন তেলেস্মাতি খেল
ঘাতক
দালাল নির্মূল কমিটি,
চেতনায় ৭১
আরো কত
কি!
করতাছেন ঘোড়ার আণ্ডা।
রাজাকারের লাইগা এত্ত পিরিত কে?
কথায়
কথায় তুই রাজাকার, ধর রাজাকার, মার রাজাকার।
রাজাকার দেইখা থুথু মার!
ক্যান্, আমরা কি সেই সময় কিছুই করি
নাই?
আমরা
কি লুটের মাল আর মাইয়া মানুষ
ধইরা
গণিমতের মাল কইয়া
ভাগ
করি নাই?
আমরা
কি লাখ লাখ মা বোনের
ইজ্জত
লুটি নাই
আমরা
কি ৭১-এ
আর তার
পরে মুক্তিযোদ্ধা মারি নাই?
তবে
ক্যান্ খালি রাজাকার!
আমরা
আল্ শাম্স্ আর আল্ বদররা
গেলাম
কৈ?
আমরা কি
স্বাধীনতার
ঊষালগ্নে
জাতির
শ্রেষ্ঠ সন্তান
বুদ্ধিজীবীদের হত্যা করি নাই?
তবে
ক্যান্ ছন্দ দিয়া কও
'মাওলানা
মান্নান আগে ছিল ধর্মে
আমরা
তো হতবাক তার কাজকর্মে
।'
রস্
দিয়া কইতে শুনি
'আমি
রাজাকার ৭১-এর ঘাতক
তছবি
গুনে নামায পড়ি টঙ্গী থেকে ছাতক।'
আহারে
হে গো দিন তো শেষ
অহন
আমাগোরে নিয়া দুইটা লাইন লেখো
।
চোখের
সামনে শকুনের মত ঘুরতাছি
বুক
ফুলাইয়া চলে আমাগো নাটের গুরু
যারা
ছিল আল্ শাম্স্ আর আল্ বদর গো সর্দার
তারাও
তো করছে খুন,
ধর্ষণ,
হত্যা
খালি
হত্যা না গণহত্যা।
সাবধান
কইরা দিতাছি সাবধান
রাজাকার গো একবার থুথু দিলে
আল্
শাম্স্ আর আল্ বদররাও
একবার
পাওনা থাকব ।
সময়
মতো পৌঁছায়া দিব, না দিলে
কইলাম
আমরা ভুল করমুনা
নিজেরাই নিজেগো মুখে থুথু দিমু
।
আর
আমাগো ছাত্র সেনাগো
কইয়া
যামুঃ
'দেশটারে
যদি আবার আইয়ামে জাহেলিয়াতের যুগে নেয়ার সুযোগ আসে,
তবে বুইড়াগোরে
সুযোগ দিস না।
নিজেরাই সব করিস।
নইলে কইলাম আমাগো মত
পস্তাবি,
বুইড়া বয়সেও কইলাম থুথুর ভাগ
পাবি না।'