|
একজন কোরেশীর ত্রাণমহড়া ও কয়েকটি প্রশ্ন
চিররঞ্জন
সরকার
না, তিনি
রাষ্ট্রপতি বা প্রধানমন্ত্রী নন।
নির্বাচিত সরকারের কোনো
দাপুটে মন্ত্রী কিংবা স্থানীয় প্রভাবশালী সংসদ সদস্য, কিংবা শিল্পপতিও নন।
নন কোনো নামজাদা সফল
সম্পাদক।
তবু তাঁর আগমনে মহা-আয়োজন।
জরুরী আইনের বিধিমালাকে
অগ্রাহ্য করে তাঁকে স্বাগত
জানাতে ও এসকর্ট করে
গন্তব্যে নিয়ে যেতে প্রস্তুত অর্ধ-শতাধিক মোটরসাইকেল।
বাড়তি সতর্কতা জেলা
প্রশাসক কার্যালয়েও। কোনো
মন্ত্রী-এমপি না হলেও মানিকগঞ্জবাসী এমন দৃশ্য দেখেছেন নবগঠিত রাজনৈতিক দল
প্রগতিশীল গণতান্ত্রিক দল, পিডিপির
সমন্বয়কারী
ফেরদৌস আহমেদ কোরেশীর
ত্রাণ-বিতরণ কর্মসূচিতে।
ফেরদৌস কোরেশী গত ১২
আগস্ট মানিকগঞ্জের দৌলতদিয়া ও পাটুরিয়ায় বন্যা দুর্গতদের মাঝে ত্রাণ বিতরণ করতে
গেলে অর্ধ-শতাধিক মোটর সাইকেল তাকে এসকর্ট করে নিয়ে যায়।
মোটর শোভাযাত্রার পেছনে
একটি পাজেরোতে চড়েন ফেরদৌস কোরেশী।
সঙ্গে ছিলেন পিডিপি
নেতা গোলাম সারোয়ার মিলন, তাজুল ইসলাম চৌধুরী, মেজর জেনারেল রফিকুল ইসলাম (অবঃ)
প্রমুখ। কোরেশীর
গাড়ির পেছনে দুটি বাসে রাখা ছিলো ত্রাণ সামগ্রী।
ত্রাণ
বিতরণকালে বন্যার্তদের উদ্দেশ্যে পিডিপি
সমন্বয়কারী বলেন, জরুরী
অবস্থার মধ্যেও রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা ও নির্বাচন অনুষ্ঠান সম্ভব।
কারণ ১১ জানুয়ারীর আগে
যে-দুরবস্থা ছিলো, তা থেকে রেহাই পেতে হলে এর বিকল্প নেই।
ত্রাণ বিতরণের আগে
ফেরদৌস কোরেশী সঙ্গীদের নিয়ে স্থানীয় জেলা প্রশাসক আতাউর রহমানের সঙ্গে তাঁর
কার্যালয়ে বৈঠক করেন। তবে
ডিসি কার্যালয় দাবী করেছে, ফেরদৌস কোরেশীকে সরকারী কোনো সুযোগ-সুবিধা দেয়া হয়নি
(আমাদের সময়, ১৩
আগস্ট)।
ফেরদৌস
আহমেদ কোরেশী ভাগ্যবান বটেন।
নবীন দলের এ-নেতা তাঁর
প্রথম ত্রাণযাত্রায় মানিকগঞ্জ গিয়ে জাতীয় চমক সৃষ্টি করে এসেছেন।
এ-জাতির ইতিহাসে এমন
ভাগ্যবান পুরুষ বড় বেশি দেখা যায়নি।
একটি নির্দলীয়
তত্ত্বাবধায়ক সরকার সুষ্ঠু রাজনীতি প্রতিষ্ঠার নামে এমনভাবে কাউকে রাজনীতি বা দল
গঠন করতে কিংবা ত্রাণ বিতরণ করতে অবারিত সুযোগ দিয়েছে তেমন ইতিহাসও আমাদের জাতীয়
জীবনে নেই!
বাংলাভাই
ও হাজারীর প্রেতাত্মা!
সিদ্দিকুল ইসলাম বাংলাভাই,
জয়নাল হাজারী, শামীম ওসমান, মঞ্জুরুল আহসান মুন্সির প্রেতাত্মারাই যেনো আবার দেখা
মিলল কোরেশীর ত্রাণ মহড়ায়।
জরুরি বিধিমালা
লঙ্ঘনকারী মহড়া, স্থানীয় প্রশাসনের বাড়তি গুরুত্ব দান এবং জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে
বৈঠক ও সাংবাদিকদের সঙ্গে মত-বিনিময় করে তিনি নিজেকে 'কিংস পার্টি'র নেতা হিসেবে
উপস্থাপন করার সুযোগ পেয়েছেন।
ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের পাটুরিয়া
মোড় থেকে দীর্ঘ ৮ কিলোমিটার সড়ক-পথ অতিক্রম করে ত্রাণ বিতরণে যাওয়ার সময় কোরেশীর
মোটর সাইকেল বহর সড়কের পুরো প্রস্থ দখল করে এগোয়।
এতে
স্বাভাবিক
যান চলাচলও ব্যাহত হয়।
বড়ো দু'দলের মতোই
ভয়ঙ্কর চেহারার যুবকেরা মহড়ার অগ্রভাগে থাকায় বহুল আলোচিত কিংস পার্টি সম্পর্কেও
মানুষের মধ্যে ভয় সৃষ্টি হয়েছে।
জরুরী বিধিমালা ভঙ্গ
করে শোভাযাত্রায় অংশগ্রহণকারীরা মিছিলও করেছেন।
এ-মহড়ার নেতৃত্বে ছিলেন
কোরেশী স্বয়ং (আমাদের
সময়, ১৪ আগস্ট)। বিষয়টি
নিয়ে দেশব্যাপী বিরূপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে।
স্বচ্ছ
রাজনীতির কথা বলে রাজনৈতিক
সন্ত্রাসী ও লুটপাটকারীদের কথাই স্মরণ করিয়ে দিয়েছেন কোরেশী।
আমাদের মনে পড়ছে, বাংলাভাইয়ের
কথা। চরমপন্থী
দমনের কথা বলে বাংলাভাইয়ের নেতৃত্বে কাঁধে কালো ব্যাগ, হাতে হকিস্টিক ও হাসুয়া নিয়ে
মোটরসাইকেল, মাইক্রোবাস ও ট্রাকে চড়ে জামায়াতুল মুজাহিদীন বাংলাদেশের (জেএমবি)
জঙ্গিরা রাজশাহীর বাগমারা, নওগাঁর আত্রাই ও রাণীনগর উপজেলার সড়কগুলোতে এমনিভাবেই
দাপিয়ে বেড়াত। সে-জঙ্গীদের
চেহারা ফুটে উঠেছিল কোরেশীর মহড়ায়।
কোরেশীর নিজ নির্বাচনী
এলাকা ফেনীর জয়নাল হাজারীর কথাও বলেছেন অনেকে।
কথিত আছে, ফেনীতে
হাজারী যখন বাইরে বের হতেন, তখন ক্যাডার বাহিনীর কাজ ছিলো এক ঘণ্টার মধ্যে ২শ
মোটরসাইকেল সংগ্রহ করা।
সে-সময় শহরের মোড়ে-মোড়ে
ক্যাডাররা রাস্তায় চলাচলকারীদের নামিয়ে দিয়ে মোটরসাইকেল নিয়ে যেতো।
এ-নিয়ে কেউ কোনো কথা
বলতে পারত না। সেই
মহড়ায় নিজের ৩টি গাড়ী ও ক্যাডারদের জন্য কেনা ১০টি মাইক্রোবাস থাকতো।
নারায়ণগঞ্জের শামীম
ওসমান অবশ্য নিজে মহড়ায় থাকতেন না।
মন্ত্রীরা নারায়ণগঞ্জে
গেলে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের লিংক রোড থেকে এ-ধরণের মহড়ার মাধ্যমে নেতাদের
অভ্যর্থনা এবং বিদায় জানানো হত।
কুমিল্লার দেবীদ্বারের
মঞ্জুরুল আহসান মুন্সিও যখনই এলাকায় যেতেন তার গাড়িবহরের সামনে পেছনে এ-ধরণের বহর
থাকতো।
উল্লেখ্য, ফেরদৌস কোরেশী গত ২০
জুলাই নতুন দল পিডিপি ঘোষণাকালে এবং এর আগে-পরে অনেকবার গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক ধারা
চালুর কথা বলেছেন। সন্ত্রাস-নৈরাজ্য
সৃষ্টিকারী, দেশের সম্পদ লুটপাটকারী হিসেবে অভিহিত করে আওয়ামী লীগ-বিএনপির সমালোচনা
করেছেন। তিনি
বলেছেন, এ-দু'দলের সন্ত্রাস ও লুটপাটের কাছে মানুষ ছিলো জিম্মি।
তাঁর মতে, আওয়ামী
লীগ-বিএনপি অন্যদের রাজনীতি করার সুযোগ দেয়নি।
এহেন কোরেশীকে ঘিরে যখন
পুরনো চেহারার রাজনৈতিক মহড়া দেখা যায় প্রশ্ন জাগে, আমরা যে-তিমিরে ছিলাম, তার চেয়ে
অধিক তিমিরেই কি যাত্রা করেছি? প্রশ্ন জাগে, এতো পথ হেঁটে, এতো জল ঘেটে আমরা কী
তবে পেলাম? ডঃ কামাল হোসেন যথার্থই বলেছেন, এক দেশে দু' আইন চলতে পারে না।
কেউ ৫০টি মোটর সাইকেল
শোভাযাত্রা করে ত্রাণ বিতরণ করবেন, আর কেউ ত্রাণ বিতরণে যেতে পারবে না, এটা
দ্বিমুখী আচরণ। কোনো
কিছুতেই দ্বৈত-নীতি থাকা উচিত নয়।
এ-ব্যাপারে যত শিগগির
সম্ভব ব্যবস্থা গ্রহণ করা উচিত।
জরুরী অবস্থা লঙ্ঘনের
দায়ে ফেরদৌস কোরেশীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নিলে, সরকারের একচোখা নীতিই স্পষ্ট হয়ে
উঠবে, যা মোটেও কাম্য নয়।
সরকারের ভূমিকা
নিয়ে প্রশ্ন
ফেরদৌস আহমেদ
কোরেশীর মানিকগঞ্জের ত্রাণ-মহড়ার পরের দিনের পত্রিকায়, রাবের কড়া নিরাপত্তার মধ্য
দিয়ে সৌভাগ্যের আরেক বরপুত্র বিএনপির মহাসচিব আব্দুল মান্নান ভুঁইয়ার 'বিপুল' ত্রাণ
বিতরণের খবর জনমনে অসন্তোষ সৃষ্টি করেছে।
এমনিতেই বর্তমান
সরকারের বেশকিছু সিদ্ধান্ত নিয়ে সচেতন মহলে ক্ষোভ ও অসন্তোষ বিরাজ করছে।
মাইনাস-টু থিওরী,
হাসিনাকে দেশের বাইরে রাখার চেষ্টা, খালেদাকে বিদেশে পাঠানোর উদ্যোগ ইত্যাদির পর
হাসিনাকে গ্রেপ্তার, খালেদাকে কোনো প্রশ্ন না-করা এবং টেলিকনফারেন্সের নামে অবাধে
রাজনীতি করার সুযোগ দেয়া, দাতা-গোষ্ঠীর প্রেসক্রিপশানে মিল-কারখানাগুলো বন্ধ করে
দেয়া, ইত্যাদি বিষয়গুলো অনেককেই ক্ষুব্ধ করে তুলেছে।
সর্বশেষ কোরেশীর প্রতি
সরকারের আচরণ ব্যাপক সমালোচনার জন্ম দিয়েছে।
এর ফলাফল এতোটাই খারাপ
হয়েছে যে, শেষ পর্যন্ত ডঃ কামাল হোসেনের মতো বর্তমান সরকারের ঘোরতর সমর্থক পর্যন্ত
কোরেশীর বিরুদ্ধে মামলা করার জন্য দাবী করেছেন এবং নিজে বিবাদীর পক্ষে আইনজীবী
হওয়ার বাসনা পোষণ করেছেন।
এ-সরকারের আমলে 'এক
দেশে দুই নীতি'র সমালোচনা এভাবে ডঃ কামাল আর কখনো করেননি।
ফেরদৌস আহমেদ
কোরেশী সম্পর্কে যত দূর জানা যায়, তাতে এতোগুলো মোটরসাইকেল, বিলাসবহুল পাজেরো জিপ
এবং দুটি বাসভর্তি ত্রাণের উপকরণ জোগাড় করা তাঁর জন্য কঠিন হওয়ার কথা।
একটি টিভি চ্যানেলে
স্পষ্ট করেই বলা হয়েছে যে, তিনি তার দৈনিক দেশবাংলা পত্রিকার সাংবাদিকদের নিয়মিত
তিন মাসের বেতন দিতে পারেন না।
কখনো ডেস্টিনি বা কখনো
অন্য কোনো প্রতিষ্ঠানের সহায়তায় তিনি পত্রিকাটি প্রকাশ করছিলেন।
সেটিও কোনোকালেই জাতীয়
পত্রিকা হতে পারেনি।
প্রয়াত গোলাম রসুল
মল্লিকের দায়বদ্ধ যে-বাড়িটিতে তিনি পত্রিকার এবং রাজনৈতিক দলের প্রথম অফিস করেছেন
সেটিও দেনার দায়ে নিলাম হওয়ার মতো একটি জায়গা।
তেমন একজন মানুষ হঠাৎ
করে কোথা থেকে আলাদীনের চেরাগ পেলেন যে, সেগুন বাগিচার অফিসের পাশাপাশি বনানীতে
অফিস, ত্রাণের জন্য পাজেরো জিপ, দুই বাসভর্তি ত্রাণসামগ্রী এবং শতো-শতো
মোটরসাইকেলের আয়োজন করতে পারেন, এ-প্রশ্নটি সকলের মনে জেগেছে।
পত্রিকার খবর
অনুযায়ী, তিনি কেবল ত্রাণ বিতরণই করেননি, ডিসি সাহেবের সঙ্গে বৈঠকও করেছেন।
করেছেন মতবিনিম,
যেমনটি জেলার দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রীরা করতেন।
যদি কেবল তাঁর গাড়িতে
লাল-সবুজ পতাকাটি থাকতো, তবেই বাকী কাজটা সম্পন্ন হয়ে যেতো! এর আগে রাজনীতি শুরু
করার সময়ে তিনি ৩০০ আসনে কেবল প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার কথাই বলেননি বরং তাঁর দল
আগামীতে সরকার গঠন করবে বলেও আত্মবিশ্বাসী অভিমত উচ্চারণ করেছিলেন।
একটি দলের জন্ম হওয়ার
আগেই এতোসব তাকৎ কোথা থেকে আসে, কারা তাঁকে ফাইন্যান্স করছে, কারা তাঁর জন্য চাঁদা
আদায় করছে, সে-সব প্রশ্ন কিন্তু বেশ বড়ো হয়েই দেখা দিচ্ছে।
অন্যদিকে বেগম খালেদা
জিয়াকে নিরাপত্তার অজুহাতে ত্রাণ বিতরণ করতে না দিয়ে মান্নান ভুঁইয়ার জন্য রাবের
নিরাপত্তা বিধান করায় মানুষ একই দলের প্রতি দু'রকমের আচরণের বিষয়টি স্বচক্ষেই দেখছে।
ক্ষমতাসীনরা
যত কথাই বলুন না কেনো, তাঁদের পক্ষপাতমূলক আচরণ কিন্তু কিছুতেই লুকাতে পারছেন না।
দিন যতোই যাচ্ছে, থলের
বিড়াল বেরিয়ে পড়ছে।
সিলেটে আওয়ামী লীগের
কিছু প্রবাসী নেতা এক বাড়িতে 'জিয়াফতে' একত্রিত হয়েছিলেন। সরকার তাঁদের ধরে সোজা
জেলে পুরে দিয়েছে। জরুরী
বিধিমালা ভঙ্গের অভিযোগে তাঁদের নামে মামলাও হয়েছে।
এদিকে শেখ হাসিনাকে
যেদিন গ্রেপ্তার করা হয়, সেদিন যাঁরা প্রতিবাদ মিছিল করেছেন, তাঁদের অনেকের
বিরুদ্ধেই পরবর্তী সময়ে মামলা হয়েছে।
অনেককে গ্রেপ্তারও করা
হয়েছে। পাশাপাশি
শেখ হাসিনাকে গ্রেপ্তারের পর খোদ রাজধানীতে 'আনন্দ মিছিল' ও হয়েছে।
এ-মিছিলে যাঁরা ছিলেন,
তাঁরা সকলেই সুপরিচিত, অথচ তাঁদের কাউকেই গ্রেপ্তার করা হয়নি।
তারেক রহমানের
নামে এখনো কোনো শক্ত মামলা দেয়া হয়নি।
সাঈদ এস্কেন্দার ও
শামীম এস্কেন্দার এখনো ধরা-ছোঁয়ার বাইরে।
কোকোকে ধরেও ছেড়ে দেয়া
হয়েছে। আওয়ামী
লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনাকে চাঁদাবাজির মামলায় গ্রেপ্তার করা এবং সুনির্দিষ্ট
দুর্নীতির অভিযোগ থাকা সত্ত্বেও বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে থাকা
মামলা সক্রিয় না করা বা গ্রেপ্তার না করা নিয়ে বিভিন্ন মহলে নানা প্রশ্নের সৃষ্টি
হচ্ছে।
গণতন্ত্রের
জয়যাত্রাকে সার্থক করে তুলতে হলে সরকারের
স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ
ভূমিকা পালন জরুরী। পৃথিবীর
বিভিন্ন উন্নয়নশীল দেশের সাম্প্রতিক ইতিহাস থেকে দেখা যায় যে, উন্নয়নশীল দেশগুলোর
গণতন্ত্রে উত্তরণের প্রধান বাঁধা হলো রাজনীতিতে সামরিক হস্তক্ষেপ।
সামরিক হস্তক্ষেপ শুধু
সুষ্ঠু গণতন্ত্রের রাজনীতিতে বাধা সৃষ্টি করে না। এর ফলে দেশের অর্থনৈতিক উন্নতি
এবং দেশের সামগ্রিক নিরাপত্তা বাধাপ্রাপ্ত হয়।
এ-বিষয়ে সংশ্লিষ্ট
সকলকেই সচেতন থাকতে হবে।
মনে রাখতে হবে যে, দেশে
গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্য রাজনীতিবিদদের ভূমিকাই মুখ্য।
তবে প্রকৃত
রাজনীতিবিদদের নানাভাবে অকার্যকর করে রেখে কোরেশী সাহেবের মতো রাজনীতিবিদকে পেট্রৌন
করে সমাজে কাঙিক্ষত কোনো পরিবর্তন আশা করা যায় না।
চিররঞ্জন
সরকারঃ সাংবাদিকও কমামিস্ট
ঢাকা, ২০ আগস্ট ২০০৭
|
|
|